২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে আশানরুপ ফল পায়নি রাজ্য বিজেপি। নির্বাচনোত্তর দলের কর্মীরা বিপন্ন থাকা সত্তেও পাশে নেই জেলা দলের নেতারা। দিন যত গরাচ্ছে এই রাজ্যে শক্তিক্ষয় হচ্ছে বিজেপির। অসহায় অবস্থায় কেউ হয় আত্মসমর্পণ করছেন শাসক দলের কাছে। কেউ আবার নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছেন। দোরগোড়ার রাজ্যের সাত আসনে নির্বাচন। তার পরে পরেই রয়েছে পুরসভার ভোট। এমতবস্থায় দলীয় কর্মীরা বসে গেলে কী হবে, তা ভেবে পাচ্ছেন না বিজেপি নেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হেস্টিংসে দলীয় কার্যালয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। সেখানেই আলোচনা হয় পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে।
{link}
নির্বাচনোত্তর হিংসায় দীর্ণ বাংলা। অন্ততঃ বিজেপির অভিযোগ এমনই। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার হয়েছেন বহু মানুষ। বিজেপির তরফে রাজ্য সরকারের কাছে এ নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছে। তার পরেও পরিস্থিতির বিশেষ হেরফের হয়নি। কিছুদিন আগেই মহামান্য হাই কোর্ট সিবিআইকে ভোট পরবর্তি হিংসার তদন্ত করার নির্দেশ দেয়। এদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে কোচবিহার এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় স্বয়ং।
{link}
তবে এসবই হয়েছে প্রশাসনিক স্তরে। আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়াননি দলের জেলা নেতারা। দলের সাংগঠনিক বৈঠকেও অনুপস্থিত অধিকাংশ মণ্ডল সভাপতি। নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছেন দলের বহু কর্মী। শাসক দলের হাত থেকে রেহাই পেতে অনেকে ফুলবদলও করছেন। পরিস্থিতির মোকাবিলায় বৈঠকে বসলেন বিজেপি নেতৃত্ব। ওই বৈঠকে দলের রোষের মুখে পড়েছেন মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং দক্ষিণ কলকাতা সাংগঠনিক জেলা নেতৃত্ব। নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া নেতাদের কীভাবে ফের সক্রিয় করা যায়, তা খতিয়ে দেখছেন বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।
