লাথি দিয়ে বাড়ির দরজা ভেঙে এক বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। খোদ কলকাতার ঘটনায় চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে। রাজনৈতিক কারণ তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি ধৃত সজল ঘোষের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপির লোকজনকে কেস দিতে, ভয় দেখাতেই এসব করছে তৃণমূল। তাঁর প্রশ্ন, সজল ক্রিমিনাল নাকি? বাড়ির দরজা ভেঙে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, এরা এখানে এসব করছে, আর দিল্লি, ত্রিপুরা গিয়ে গণতন্ত্রের কথা বলছে! ঘটনা ঘিরে বিপুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে
{link}
ঘটনার সূত্রপাত এক মহিলার স্ত্রীর শ্লীলতাহানিকে ঘিরে। মুচিপাড়ার ৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি ওই মহিলা তৃণমূলের এক যুবনেতার স্ত্রী। অভিযোগ, এলাকারই বিশাল সিং ও তাঁর ভাই বিকাশ ওই মহিলার শ্লীলতাহানি করেন। বিশাল ও বিকাশ এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। ঘটনার প্রতিবাদে দলবল জুটিয়ে থানায় যান সজল। এক সময় ছাত্র পরিষদ করা সজলের সঙ্গে বচসা হয় পুলিশের। পাশের ওয়ার্ডের এক তৃণমূল কর্মীর দোকান ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। এদিন সকালে ওই ওয়ার্ডে ফের একটি দোকান ও ক্লাব ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে কান কাটা দেবুর নেতৃত্বে ক্লাব ও দোকান ভাঙচুর করা হয়। এর পরেই বিজেপি নেতা সজলের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ দায়ের হয়। সজলকে গ্রেফতার করতে যান কয়েকজন পুলিশ কর্মী। সজল দরজা খোলেননি বলে অভিযোগ। এর পরেই পুলিশ সজোরে লাথি মেরে ভেঙে ফেলে সজলের বাড়ির দরজা। গ্রেফতার করা হয় ওই বিজেপি নেতাকে। সজলের অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণেই ফাঁসানো হয়েছে তাঁকে।
{link}
ঘটনাটিকে ঘিরে যথেষ্ট রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে, কে দোষি আর কেইবা নির্দোষ? সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্যবাসীর মনে।
