একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি। একে একে ছেড়ে যাচ্ছেন দল ছেড়ে। অনেকে ফিরে যাচ্ছেন তৃনমুলে। দলেরঅন্দরে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে বঙ্গবিজেপির। সাম্প্রতিক এক ঘটনা থেকেই এই ইঙ্গিত মিলেছে। ন্যাশনেল এক্সিকিউটিভ কমিটি ঘোষণা করল বিজেপি। জাতীয়স্তরের ওই কর্মসমতিতে ঠাঁই হয়েছে এ রাজ্যের চার গেরুয়া নেতার। বঙ্গ বিজয়ের স্বপ্ন অধরা রইলেও গুরুত্ব এতটুকুও কমেনি কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, অমিত মালব্য এবং অরবিন্দ মেননের। কারণ বাংলার পর্যবেক্ষক পদে রয়েছেন এঁরাই।
{link}
বছর ঘুরলেই সাত রাজ্যে নির্বাচন। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল উত্তর প্রদেশ ও গুজরাট। প্রথমটি গুরুত্বপূর্ণ তার অতিকায়ত্বের কারণে। আর দ্বিতীয়টির গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর খাসতালুক হওয়ার কারণে। ’২২ এর ওই নির্বাচনের পর ’২৪এ রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথমটিকে লোকসভা ভোটের মহড়া ধরলে এই দুই বছরের ভোটেরই গুরুত্ব বিজেপি নেতৃত্বের কাছে ঢের বেশি। সেই কারণেই ঢেলে সাজানো হল বিজেপির এই জাতীয়স্তরের সংগঠন ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটি। এদিন কমিটির সদস্যদের নামের তালিকাও প্রকাশ করলেন পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ৮০। এর মধ্যে নাম রয়েছে বাংলার ছয় নেতার। এঁরা হলেন মিঠুন চক্রবর্তী, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসা দীনেশ ত্রিবেদী, ভারতী ঘোষ, অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়, স্বপন দাশগুপ্ত এবং বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। কমিটির মাথায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কমিটিতে রয়েছেন লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলীমনোহর যোশী, অমিত শাহেরা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিজেপি যে ভোটের সময় ছাড়াও বাংলার নেতাদের গুরুত্ব দেন, তা বোঝাতেই বাংলার নেতাদের ঠাঁই দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিতে। কমিটির বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্যদের তালিকায়ও রয়েছেন সাংসদ জয়ন্ত রায়, সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, বিধায়ক অশোক লাহিড়ি, তৃণমূল থেকে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএম থেকে আসা মাফুজা খাতুন।
{link}
তবে অশান্তি হওয়ায় এখনও কালীঘাটের দরজা খোলেনি বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। যা নিয়ে হতাশ রাজীব শিবির। পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোট বেহাত হাওয়ার ভয়েই ফেরানো হয়নি রাজীবকে। এর মধ্যেই বিজেপি থেকে আমন্ত্রন পাওয়ায় জরাল হচ্ছে জল্পনা।
