ত্রিপুরায় দাঁত, নখ বের করছে বিজেপি! হিংসার রাজনীতি করছে তারা। আজ, শনিবার এমন অভিযোগই করেন তৃ্ণমূল নেতৃত্ব। এদিনই বিজেপি তৃণমূলের তিন নেতা সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত ও দেবাংশু ভট্টাচার্যের গাড়িতে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। সেহেন ছবিই চোখেও পড়েছে। তারই প্রতিক্রিয়ায় এমনই মন্তব্য করেন বঙ্গ তৃণমূল নেতৃত্ব। এই ঘটনার পর দ্রুত সম্ভবত রবিবারই ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব।
{link}
২০২৩-এ বিধানসভা নির্বাচন ত্রিপুরায়। এখন থেকেই দলের অন্দরে চওড়া হতে শুরু করেছে ফাটল। গেরুয়া শিবিরের এই সূচিছিদ্র পথেই ত্রিপুরায় পা রাখতে চলেছে তৃণমূল। পঁচিশ বছরের বাম শাসনের জেরে ক্লান্ত ত্রিপুরাবাসী ক্ষমতায় আনে বিজেপিকে। তার পর থেকেই একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকে বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে। স্বাভাবিকভাবেই তৃতীয় বিকল্পের খোঁজে ত্রিপুরাবাসী। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূলই হতে চলেছে সেই বিকল্প।
{link}
ত্রিপুরাবাসীর নাড়ি বুঝতে পেরেছে তৃণমূলও। সেই কারণেই আরও বেশি করে ত্রিপুরা জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাচ্ছে দল। সেই মতো ত্রিপুরায় সংগঠনের কাজ করছিলেন তিন তৃণমূল নেতা—সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত এবং দেবাংশু ভট্টাচার্য। এদিন তাঁদেরই গাড়িতে হামলা হয় বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় সুদীপের। দিন কয়েক ধরে ত্রিপুরায় আনাগোনা বেড়েছে তৃণমূল নেতাদের। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্রাত্য বসু, কুণাল ঘোষ এবং ডেরেক ও ব্রায়েনের মতো নেতারা গিয়েছেন ত্রিপুরায়। সেখানে অভিষেকের গাড়ির ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। এবার হয় সুদীপদের ওপর। তৃণমূলের অভিযোগ, ঘটনার নেপথ্যে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আগামীকাল, রবিবারই ত্রিপুরা উড়ে যাচ্ছেন তৃণমূলে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
{link}
একথা স্পষ্ট যে যেভাবেই হোক ত্রিপুরার বিজেপি ত্রিপুরায় কোনভাবেই ছুঁচ ফোঁটাতে দিতে চাইছেন না তৃণমূলকে। সেই লক্ষেই যেভাবে হোক তৃণমূলকে বিজেপিতে ভীত স্থাপন করতে বাধাপ্রদান করছে। এখন এই দুই পক্ষের লড়াইয়ে কে জয়লাভ করে তাই দেখার বস্তু।

