Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

জয় শ্রীরাম নয়, এবার থেকে মা কালী ও মা দুর্গার ধ্বনি ব্যাবহার করতে হবে রাজ্যে

Loading... রাজ্য
 জয় শ্রীরাম নয়, এবার থেকে মা কালী ও মা দুর্গার ধ্বনি ব্যাবহার করতে হবে রাজ্যে
#news #politics #BJP #TMC #West Bengal #Mamata Banerjee #Narendra Modi #Jay Shree Ram #সংবাদ #রাজনীতি #বিজেপি #জয় শ্রী রাম

বাংলায় রামের চেয়ে মা কালী এবং মা দুর্গা অনেক বেশি জনপ্রিয়। সেই কারনেই জয় শ্রীরাম নয়, এবার থেকে মা কালী ও মা দুর্গার ধ্বনি ব্যবহার করতে হবে  বাংলার রাজ্য নেতৃত্বকে এই মর্মেই নির্দেশ পাঠিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ধর্মীয় আবেগ কে অস্ত্র করতে রাজ্যে এই পন্থাই লাগাতে চাইছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। 
একুশের নির্বাচনে বাংলা দখল করতে কোমর কষে নেমে পড়েছিল বিজেপি। জয় শ্রী রাম রাজ্য সহ দেশের বিজেপির কর্মীদের কাছে একটি অত্যন্ত জনপ্রীয় স্লোগান। কিন্তু সেই স্লোগানই কার্যত মানুষের আস্থা জাগেনি বাংলার বুকে। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছিল ২০০ আসন। লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী এ রাজ্যে ২১টি জনসভা করেছেন। আর ছোটবড় মিলিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অংশ নিয়েছেন ১২১টি কর্মসূচিতে। তার পরেও বঙ্গবিজয়ের স্বপ্ন পূরণ হয়নি গেরুয়া শিবিরের। ২৯২টির মধ্যে মাত্র ৭৭টি আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পদ্ম-নেতৃত্বকে। 

{link}
বাংলায় এই ভরাডুবি মেনে নিতে পারছেন না বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই কারণেই বদলাতে হচ্ছে লাইন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জয় শ্রীরাম নয়, এবার থেকে মা কালী ও মা দুর্গার ধ্বনি ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নেতৃত্বকে। তাঁদের মতে, বাংলায় রামের চেয়ে মা কালী এবং মা দুর্গা অনেক বেশি জনপ্রিয়। তাই রাম নাম নয়, বাংলায় শরণাপন্ন হতে হবে মা কালী ও মা দুর্গার। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে আদতে কোনও লাভ হয়নি একুশের ভোটে। ওই নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছিল ২০০ আসন। এর এক তৃতীয়াংশ আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বঙ্গ বিজেপিকে। তাই এবার স্লোগান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। এখন দেখার, কালী-দুর্গার নামে পার হওয়া যায় কিনা ভোট বৈতরণী ।

{link}
এক সময়ে এই জয় শ্রী রাম স্লোগান দিয়েই রাজ্যে কটাক্ষ করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকে। একবাড় গাড়ি থেকে নেমেও পড়েছিলেন তিনি, তিনটি ছেলেকে গ্রেপ্তার হতেও হয়েছিল। তাদের সাথে একবার দেখাও করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ভিক্টোরিয়ার নেতাজির ১২৫ তম জন্মদিবসের অনুষ্ঠানেও একই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাতেও অনেকটা খারাপ প্রভাব পড়েছিল বাংলার মানুষের মনে বলেও বহু রাজনীতিবিদদের মতামত। তাই এখন তাকে ঝেড়ে ফেলাই সুবিধাদায়ক বলে মনে করছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বেরা। 

সর্বশেষ আপডেট: