নিজেদের ঘাঁটিতে জয়লাভ করার পরেই এবার ত্রিপুরা জয়ের লক্ষ্যে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সামনেই এগিয়ে আসছে ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনব। নিজেদের ঘাঁটি সামলাতে কি ভাবছেন ত্রিপুরার বিজেপি নেতৃত্বেরা? বাংলা মডেলেই ত্রিপুরা জয় করতে চায় বিজেপি! অন্তত ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সাম্প্রতিক এক নির্দেশের পরেই এমন ধারণা গভীর হয়েছে পর্যবেক্ষকদের মনে। মহিলাদের ভোটেই বঙ্গবিজয় অনায়াস হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের। সেই মডেলই ত্রিপুরায় প্রয়োগ করে বাজিমাত করতে চায় গেরুয়া শিবির।
{link}
এ রাজ্যে মহিলাদের ভোটের জোরেই তৃতীয়বারের জন্য নবান্নের তখতে ফিরেছে তৃণমূল। ভোট প্রচারে গিয়ে মা-বোনেদের উলুধ্বনি দিয়ে নিজের ফেভারে নিয়ে এসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পর বাংলা ঘরের মেয়েকেই চায় স্লোগানও জনপ্রিয় হয়েছিল। সর্বোপরি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। ভোটের প্রচারে গিয়ে এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন মমতা। এই প্রকল্পে ২৫ বছরের ঊর্ধ্বে ৬০ বছরের মধ্যে সব মহিলাই ফি মাসে ৫০০ করে টাকা পাবেন। তফশিলি জাতি কিংবা উপজাতির মহিলারা পাবেন হাজার টাকা করে। রূপশ্রী, কন্যাশ্রীর মতো প্রকল্পও চালু করা হয়েছে স্রেফ কন্যা সন্তানদের কথা মাথায় রেখে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসবের জন্যই প্রথম এবং দ্বিতীয় বারের চেয়ে এবার আরও বেশি কেন্দ্রের রাশ এসেছে তৃণমূলের হাতে।
{link}
তৃণমূলের এই মডেলই কাজে লাগাতে চাইছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বিপ্লব দেব। ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যে ৪৭ শতাংশ ভোটার মহিলা। এঁদের ভোটেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছেন বিপ্লব। তিনি বলেন, মহিলা মোর্চার মা-বোনেদের বলি, আপনারা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে প্রত্যেক মহিলার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করুন। এতে সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে। জনসংযোগ বাড়বে। মানুষের ভরসার জন হয়ে উঠবেন আপনারা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরাতেও কি তবে কি মডেল সাফল্য লাভ করবে? তাও আবার এই পরিকল্পনা বিরোধীপক্ষের শিবিরের। তারা এই পরিকল্পনা সাফল্য যাতে না পায় তার জন্য কিছু তো পদক্ষেপ নেবেনই, এখন দেখার শেষ পর্যন্ত কার মুখে ফোঁটে যুদ্ধ জয়ের হাঁসি।
