কয়েকদিন আগেই নিজের পুরোনো দলের প্রতি রুষ্ট হয়ে যোগদান করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই বাবুলকে দলে ধরে রাখতে মেয়র পদ দেওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশই আরও জোরদার হচ্ছে দলে। তৃণমূলেরই একটি সূত্রে এ খবর মিলেছে। ওই সূত্রের যুক্তি, সদ্য বিজেপি ছেড়ে আসা বাবুলকে এখনই মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরলে ক্ষোভ দানা বাঁধতে পারত বিজেপির অন্দরে। এর পাশাপাশি ক্ষোভ দানা বাঁধার সম্ভাবনা রয়েছে দলের অন্দরেও। ভোটের আগে এমন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটুক, তা চাননি তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই কারণেই আপাতত কাউকেই মেয়র প্রজেক্ট করা হচ্ছে না। দল জিতলে তখনই ঠিক করা হবে মেয়র কে হবেন!
{link}
২০১৪ সালে বিজেপিতে যোগ দেন বাবুল সুপ্রিয়। ওই বছরই লোকসভা নির্বাচনে আসানসোলের প্রার্থী হন তিনি। গোহারা হারান তৃণমূল প্রার্থী দোলা সেনকে। এর পরেই মন্ত্রী করা হয় বাবুলকে। উনিশের ভোটেও বাবুল ফের ধরাশায়ী করেন তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে। এবারও তাঁর ঠাঁই হয় মোদির মন্ত্রিসভায়। সম্প্রতি মন্ত্রিসভা রদবদলের সময় বাদ পড়েন বাবুল। তার পরেই প্রথমে বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব ও পরে গেরুয়া শিবির ছেড়ে বাবুল ভিড়ে যান তৃণমূলে।
{link}
ফিরহাদ টিকিট পেয়েছেন। তবে বাবুল পাননি। গুঞ্জন ছিল, বাবুলকে সম্ভাব্য মেয়র হিসেবে তুলে ধরা হবে। যদিও তাঁর নাম প্রার্থী তালিকায় ছিল না। তৃণমূল সূত্রে খবর, বাবুল সদ্যই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। এত দ্রুত তাঁকে কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবে তুলে ধরলে হিতে বিপরীত হতে পারত। সেই কারণেই বাবুলের নাম নেই প্রার্থী তালিকায়।
তৃণমূলের একটি সূত্রের খবর, দল ক্ষমতায় এলে মেয়র হবেন বাবুলই। তখন নির্বাচিত কোনও এক কাউন্সিলরকে পদত্যাগ করিয়ে তাঁর আসনে বাবুলকে ছ মাসের মধ্যে জিতিয়ে নিয়ে এসে মেয়র করা হতে পারে। কিন্তু মেয়রের পদপ্রার্থী হিসবে উঠে আসছে ফিরহাদের নামও। শেষ কয়েক বছর ধরে দায়িত্বের সাথেই এই পদ সামলেছেন তিনি। এখন বাবুলকে মেয়র করা হলে তা কলকাতার মানুষের কাছেও গ্রহনযোগ্য হবে কি না তাও দেখার বিষয়। শেষ পর্যন্ত কে বসবেন মেয়রের পদে? বাড়তে থাকা সময়ের সাথেই বাড়ছে জল্পনাও।{ads}