দোরগোড়ায় ভবানীপুরে উপনির্বাচন।নন্দিগ্রামে শুভেন্দু অধিকারির বিরুদ্ধে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এবার নিজের ঘাঁটি ভবানিপুর থেকে উপনির্বাচনে লড়বেন।২০১১ সালের উপনির্বাচনেও এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেবার জিতেছিলেন বিপুল ভোটে। তার পরের বিধানসভা নির্বাচনেও ভবানীপুরেই দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সেবারও জয়ী হন। এবার ফের প্রার্থী হলেন সেই ভবানীপুরেই। এবং এখানে প্রচারে এসে তিনি জানিয়ে দিলেন, আমি না জিতলে অন্য কেউ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবেন। যার অর্থ স্পষ্ট, তিনি হেরে গেলে দলেরই অন্য কেউ মুখ্যমন্ত্রী হবেন।
{link}
আমি না জিতলে অন্য কেউ মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবেন। আজ, বুধবার ভবানীপুর উপনির্বাচনের প্রচারে এসে একথা বলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল প্রার্থীর ঘোষণা শুনে এক বিজেপি নেতার সরস টিপ্পনি, নন্দীগ্রামের হারের জ্বালা ভুলতে পারেননি মহোদয়া!
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। যিনি ভোটের মাস কয়েক আগে তাঁরই সতীর্থ ছিলেন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে তৃণমূল প্রার্থী ধরাশায়ী হন হাজার দুয়েক ভোটে। কিন্তু ওই ভোটে চোখ ধাঁধানো ফল করে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী হন দলনেত্রী। তবে নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রী পদে থাকতে হলে কোনও ব্যক্তিকে ছ মাসের মধ্যে জিতে আসতে হয় কোনও একটি কেন্দ্র থেকে। সেই জন্যই মমতাকে জায়গা ছেড়ে দেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। শোভনদেব বিধায়ক পদে ইস্তফা দেওয়ায় ভবানীপুরে হচ্ছে উপনির্বাচন। যেখানে প্রার্থী হয়েছেন মমতা।
মুখ্যমন্ত্রীর এই কথায়ই সমালোচনার রসদ পেয়েছেন বিরোধীরা। এক বিজেপি নেতার কথায়, নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হারটা তৃণমূল নেত্রী ঠিক মেনে নিতে পারেননি। সেই হারের ভূত যে তাঁকে এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে, তাঁর এহেন উক্তিই তার প্রমাণ। এখন এটাই দেখার ভবানীপুরের মানুষ কাকে নির্বাচন করেন।
