একুশের বিধানসভায় বঙ্গবিজয় সম্পূর্ন হয়েছে তৃণমূলের। এবার সামনের লক্ষ্য পড়শি রাজ্য ত্রিপুরা। তাই আজ, সোমবার ফের বিপ্লব দেবের রাজ্যে উড়ে গেলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ঠিক আগে আগেই ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যে হাজির হয়ে যান তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু ও মলয় ঘটক। ত্রিপুরায় জয়ের লক্ষ্যে কোমর কষেই নামছে ঘাসফুল শিবির।
{link}
বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরায় ঘাসফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল নেতৃত্ব। সেজন্য ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের। সেই মতো আইপ্যাকের ২৩ জন কর্মী ত্রিপুরা গিয়েছেন সপ্তাহখানেক আগে। রয়েছেন আগরতলার একটি হোটেলে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছেন আইপ্যাকের কর্মীরা। অভিযোগ, সেখানেই জিজ্ঞাসাবাদের নামে আটকে রাখা হয়েছিল তাঁদের। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বুধবারই তৃণমূলের তিন সদস্যের দল গিয়েছিলেন আগরতলায়। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে সেদিন আগরতলা উড়ে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।
{link}
তার পরের দিনই গিয়েছিলেন অভিষেক। এদিন ফের ধরলেন ত্রিপুরার উড়ান। ত্রিপুরায় ঘাসফুল ফোটানোই আপাতত লক্ষ্য তৃণমূল নেতৃত্বের। বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন বিপ্লব। তার পর থেকেই দলের অন্দরে ধূমায়িত হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠী। এই গোষ্ঠীরই কয়েকজন যোগাযোগ করেছেন তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে। বিজেপির অন্দরের এই কোন্দলটাকেই উসকে দিতে চাইছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সূক্ষ্ম ফাটলের এই পথ বেয়েই সে রাজ্যে পা রাখার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই মতো এদিন ফের ত্রিপুরা গিয়েছেন অভিষেক, ব্রাত্য এবং মলয়। পাশাপাশি ত্রিপুরায় পা ফেলেছেন তৃণমূলের যুব নেতা দেবাংশুও। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় খেলা হবে স্লোগান তুলেছেন তারা। এখন ত্রিপুরাতেও কি আসন্ন সময়ে ফুঁটতে চলেছে ঘাসফুল? প্রশ্ন সেখানেই।
