একুশের বঙ্গনির্বাচনের বিপুল ভোটে জয়ের পর তৃণমূলের পাখির চোখ ত্রিপুরা। বিপ্লব দেবের গেরুয়া শিবির ধীরে ধীরে তাদের শক্তি হারাচ্ছে। তাই নাকি জোড়া ফুলে ভয় পাচ্ছে বিজেপি। তাই হুমকি দিচ্ছেন বিপ্লব দেব! এমনই অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বের। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ত্রিপুরায় আড়েবহরে বেড়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের দাবি তার জেরেই এই হুমকি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর ওই হুমকিকে ভয় পাচ্ছেন না জোড়াফুল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হুমকি দিয়ে আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না তৃণমূলের অশ্বমেধের ঘোড়া।
{link}
দিন কয়েক আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন প্রাক্তন কাউন্সিলর পান্না দেব। ভাইকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে পান্না দেবকে। যদিও তৃণমূলের অভিযোগ, ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেওয়ার কারণেই গ্রেফতার করা হয়েছে পান্নাকে। নাম না করে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ। রবিবার একটি ফেসবুক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, (তৃণমূল) এখানে যাঁদের দলে টানছে, তাঁরা অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত। আমার কাছে যা তথ্যপ্রমাণ রয়েছে, তার ভিত্তিতে আমি তাদের গ্রেফতার করাব।
{link}
স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন হুমকি পেয়ে যারপরনাই বিস্মিত বিরোধীরা। তবে বিপ্লব দেবের এহেন হুমকিকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না সবুজ শিবির। তৃণমূল নেতা সুস্মিতা দেব বলেন, ত্রিপুরায় তৃণমূলের শক্তি বাড়ছে বুঝেই মুখ্যমন্ত্রীর এই হুমকি। কিন্তু এ ধরণের হুমকি দিয়ে, হামলা চালিয়ে তৃণমূলকে রুখে দেওয়া যাবে না।
{link}
তৃতীয়বারের জন্য বঙ্গ বিজয় সম্পন্ন হওয়ার পর এবার তৃণমূল নেতৃত্বের পাখির চোখ উত্তর-পূর্বের বিভিন্ন রাজ্য। এজন্য তাদের প্রথম এবং প্রধান টার্গেট ত্রিপুরা। ২০২৩ সালে বিজেপি শাসিত ত্রিপুরাতে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের মুক্ষমন্ত্রীর সিংহাসন যাতে তৃণমূলের হাতে আসে সেজন্য মরিয়া ঘাসফুল শিবিরের ভোট ম্যানেজারেরা।
