কি পদক্ষেপ নিয়ে এগোনো হবে ভবিষ্যতে? সেই পদক্ষেপ নিয়েই দ্বন্দ্বে রাজ্যের সিপিএম শিবির। তৃণমূল প্রশ্নে আড়াআড়ি ভাগ বঙ্গ সিপিএম! এক পক্ষের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করা হোক বিজেপির বিরুদ্ধে। আর অন্য পক্ষের মতে, বিজেপি এবং তৃণমূলের থেকে সমদূরত্ব নীতি মেনে চলা হোক। তবে ঠিক কোন পদ্ধতিতে দল এগোবে, দলের অন্দরের এই ফাটলের জন্যই তা এখনও স্পষ্ট নয় বাম নেতাদের পাশাপাশি দলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের কাছেও। লালেদের ভবিষ্যৎ কোথাও রাজ্যে প্রশ্ন সেই দিকেই?
{link}
এক সময় তৃণমূল এবং বিজেপিকে একই বন্ধনীতে ফেলে দিয়েছিলেন বাম নেতারা। তার জেরে একুশের নির্বাচনের আগে জন্ম হয় বিজেমূল শব্দবন্ধের। তবে ওই নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করে বিপুল আসন নিয়ে নবান্নে ফেরে তৃণমূল। জনতার নাড়ি বুঝতে পরে তৃণমূলের সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াইয়ের কথা বলেন সিপিএমের একটি অংশ। সিপিএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র প্রকাশ্যে স্বীকার করেন, বিজেমূল শব্দবন্ধ ব্যবহার করা ঠিক হয়নি। জনগণ তা ভালোভাবে নেয়নি। বামেদের এই অংশটি তৃণমূলকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করতে চায়। সূর্যকান্ত বলেন, রাজ্যে এক সময় বিজেপিকে ডেকে এনে জোট করেছিল তৃণমূল। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। তৃণমূল-বিজেপির সমীকরণও বদলেছে। বদলেছে রসায়ন। আর জাতীয় ও রাজ্যের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেখানে দাঁড়িয়ে জাতীয় স্তরে বিজেপিকে একমাত্র শত্রুপক্ষ করে তুলে তৃণমূলের সঙ্গে জোটের পথ আমরা হাঁটতেই পারি।
{link}
বিমান-সূর্যকান্তের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে রাজি নন, সিপিএমেরই সুজন চক্রবর্তী, মহম্মদ সেলিমরা। তাঁরা বিজেপি এবং তৃণমূলের সঙ্গে সমদূরত্ব নীতি নিয়ে চলার পক্ষপাতী। দুই পক্ষের জাঁতাকলে পড়ে হাঁসফাঁস অবস্থা দলের নিচুতলার নেতাকর্মীদের। এখন দেখার, এও দুই লবির মধ্যে কোন লবির জয় হয় এর পাশাপশি সেই লবি নির্বাচন তাদের ভবিষ্যতেই উন্নতি করতে পারে কি না তাই লক্ষণীয় বিষয়। কারন বামেদের লড়াই এখন শুরু হয়েছে আবার সেই শূন্য থেকে। লড়াই কঠিন!
