কংগ্রেসের সাথে মনোমালিন্যের পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অনেক আগেই।তারপর দেখা করেন অমিত শাহের এবং অজিত ডোভালের সাথে। এর মধ্যেই জল্পনা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে তাহলে ক্যাপ্টেন অমরিনদর সিংহ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। জল্পনার অবসান। বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন না পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। ফিরছেন না কংগ্রেসেও। জানিয়ে দিলেন নয়া দল গড়ছেন। এবার আসন্ন পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর দল বিজেপির সঙ্গে জোট করতে প্রস্তুত বলেও জানিয়ে দিয়েছেন এই প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা।
{link}
দীর্ঘদিনের কংগ্রেস নেতা অমরিন্দর মুখ্যমন্ত্রীও হয়েছিলেন পঞ্জাবের। সমস্যার সূত্রপাত চলতি বছরের মার্চ মাসে। ওই মাসে প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কংগ্রেস নেতা নভজ্যোত সিং সিধুকে দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রদেশ কংগ্রেসের। উপদলীয় কোন্দলে জর্জরিত দলকে দিশা দেখাতেই দায়িত্ব দেওয়া হয় সিধুকে। তাতে হিতে বিপরীত হয়। দূরত্ব তৈরি হয় সিধুর সঙ্গে অমরিন্দরের। যার জেরে মাসখানেক আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন অমরিন্দর।
{link}
এর পরেই সোজা দিল্লি উড়ে গিয়ে দেখা করেন মোদি মন্ত্রিসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে। কৃষকদের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেন বলে গুঞ্জন ছড়ায়। তখনই জল্পনাও ছড়ায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিলেন প্রাক্তন এই কংগ্রেস নেতার অনুগামীরা। তাঁর মিডিয়া উপদেষ্টা টুইট করে জানান, পঞ্জাবের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই চলছে। শীঘ্রই পঞ্জাব এবং জনগণ বিশেষত এখানকার কৃষকের স্বার্থে আমার নিজের নতুন রাজনৈতিক দল শুরু করার কথা ঘোষণা করব। কৃষক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে যদি কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমান কৃষক সমস্যার সমাধান করে, তাহলে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট করতেও প্রস্তুত বলে জানান তিনি। বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে পঞ্জাব দখলই অমরিন্দরের লক্ষ্য বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।
{link}
‘যতক্ষণ না আমি আমার জনগণ এবং আমার রাজ্যের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পারি ততক্ষণ আমি বিশ্রাম নেব না। পাঞ্জাবের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত হুমকি থেকে সুরক্ষা প্রয়োজন, "সিংয়ের সর্বশেষ টুইটে বলা হয়েছে, স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে যুদ্ধক্ষেত্র কীভাবে আঁকা হবে।
