একুশে স্ত্রী-শক্তিতেই বাংলা জয় সম্পূর্ন হয়েছিল ঘাসফুল শিবিরের। অতঃপর রাজ্য জয় সম্পূর্ন করার পর পড়শি রাজ্য ত্রিপুরা জয়েও সেই স্ত্রী শক্তিকেই হাতিয়ার করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সেই একই পথে হাঁটতে শুরু করেছে কংগ্রেসও। সূত্রের খবর উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধিও জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী হলে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের নির্দেশ দেবেন তিনি।
২০১১ সালে বাংলায় বাম সূর্য অস্ত গিয়েছিল মমতার নেতৃত্বেই। তার পর থেকে তিনি ক্রমেই দলে মহিলাদের গুরুত্ব দিতে শুরু করেন। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ঢের আগেই তিনি মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্প চালু করেন। আর একুশের ভোটে তিনি ঘোষণা করেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কথা। তার জেরে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মহিলা ভোটের সিংহভাগই জোড়াফুলের ঝুলিতে পড়ায় মমতার বঙ্গবিজয় হয়েছে সহজ। আসন্ন সময়ে এই অস্ত্রেই বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায়ও মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কুপোকাত করতে চাইছে জোড়াফুল শিবির।
{link}
তৃণমূল নেত্রীর এই মহিলা-অস্ত্রেই আপাতত শান দিতে শুরু করেছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। মহিলাদের দলে টানতে পারলে যে আখেরে লাভ হবে, সে কথা বুঝেছেন তাঁরাও। তাই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ৪০ শতাংশ আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরা।
এবার মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের কথা বললেন কংগ্রেসের আরও এক নেতা রাহুল গান্ধিও। দীপাবলিতে তামিলনাড়ুর একটি স্কুলের ছাত্রদের সঙ্গে নৈশভোজ সারছিলেন রাহুল। তখনই কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হলে আমি প্রথমে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের নির্দেশ দেব।
{link}
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মহিলা ভোট কুক্ষিগত করতে পারলেই বাজিমাত হবে কংগ্রেসের। ২০২৪ সালে দিল্লিতে উড়তে পারে হাত আঁকা ঝান্ডা। সেই ক্ষেত্রে কেন্দ্রর শাসকদল বিজেপিই বা কি রণনীতি নিয়ে ময়দানে নামে তাও দেখার বিষয় হবে। তারাও সব দেখে নিশ্চই চুপটি করে হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না। কিন্তু, শুকনো কথায় চিঁড়ে ভিজবে কি? প্রশ্ন সেটাই।
.jpeg)
