Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

দেবাঞ্জনকাণ্ডে ফেঁসে গিয়েছে তৃণমূল?

Loading... রাজ্য
দেবাঞ্জনকাণ্ডে ফেঁসে গিয়েছে তৃণমূল?
#news #politics #Debanjan Deb #Mamata Banerjee #TMC #Trinamool Congress #Kolkata #সংবাদ #রাজনীতি

কাল থেকে রাজ্য উত্তপ্ত দেবাঞ্জন কান্ড ঘিরে। সেই সমস্ত কিছু পর্যালোচনা করেই দেবাঞ্জনকাণ্ডে ফেঁসে গিয়েছে তৃণমূল! তৃণমূলেরই একটি সূত্র মনে করছে এমনটাই। এঁদের মতে, দল ভাঙিয়ে ‘করে খাচ্ছেন’ অনেকেই। তার পরেও উদাসীন দলীয় নেতৃত্ব! যার ফলে নিজের পায়ে কুড়ুল পড়ছে ঘাসফুলের। নীলবাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে দেবাঞ্জন কীভাবে বছরের পর বছর ঘুরে বেড়াচ্ছিল, সে প্রশ্নও তুলেছেন তৃণমূলের ওই অংশ। 

{link}
৩৪ বছর ক্ষমতায় ছিলেন বামেরা। তবে সেই সময় দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ খেয়েছে, এমন কথা শোনা যায়নি। যাঁরা খেয়েছেন, তাঁরা তা করেছেন পার্টির ব্যানারেই। সে টাকা নিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়াই হোক, কিংবা অন্য কোনও কাজে। ছবিটা বদলে যায় রাজ্যে পালাবদলের পরে পরেই। প্রথম পাঁচ বছর তৃণমূল ভাঙিয়ে কেউ খাওয়ার সুযোগ পায়নি। কিন্তু অধঃপতন যা কিছু শুরু হয়েছে তার পরের পাঁচ বছরে। তৃণমূল নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে বালি কিংবা পাথর খাদানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। টাকা নিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। উঠেছে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ। তবে সেসবই হয়েছে পার্টি ভাঙিয়ে। যাঁরা পার্টি করতেন, তাঁরাই  এসব কাজে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। যার ফলে রাজ্যে মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। 

{link}
তবে দেবাঞ্জনের বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। ভুয়ো এই আইএএস তৃমমূলের কেউ নয়। পুরসভা কিংবা সরকারের কোনও অংশও সে কোনওদিন ছিল না। তার পরেও দিব্যি শুরু করেছিল জালিয়াতির ব্যবসা। এবং ধরা পড়ার পরে সে নাম নিয়েছিল কয়েকজন তৃণমূল নেতার। কলকাতা পুরসভাও তৃণমূলের দখলে ছিল। এখন প্রশাসকের হাতে। সেখানেও প্রতারক বিছিয়ে ছিল তার লম্বা হাত। যার জেরে তৃণমূলের নাম ভাঙিয়ে খাওয়ার খিদে ক্রমেই বাড়ছিল তার। শেষমেশ করোনা টিকা শিবির করতে গিয়ে ফেঁসে গিয়েছে বখে যাওয়া দেবাঞ্জন। ফাঁসিয়েছে তৃণমূলকেও। সদ্য তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। তার পরে পরেই বিরোধীদের হাতে আন্দোলনের যাবতীয় অস্ত্র তুলে দিল এই ভুয়ো আইএএস! প্রত্যাশিত ভাবেই দেবাঞ্জনের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। আর সেইদিক থেকে বিরোধীরা এই ইস্যু কে করে তুলেছে তাদের হাতিয়ার। দেবাঞ্জন ইস্যু তে রাজ্য সরকার ও রাজ্য দুই-এরই কোন হাত না থাকা সত্ত্বেও সবকিছু অজানা থেকেও তাদের পা আটকেছে জালে। যদিও দল এ থেকে শিঘ্রই মুক্তি লাভ করবে বলে আশাবাদী দলীয় কর্মীরা। 

সর্বশেষ আপডেট: