সদ্য পদ পেয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির। এর মধ্যেই দিল্লিতে জরুরি তলব বিজেপির সদ্য সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। তাঁর সঙ্গে ডেকে পাঠানো হয়েছে দলের শীর্ষ নেতা অমিতাভ চক্রবর্তীকেও। আজ, সোমবার বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে এঁদেরও দিল্লির উড়ান ধরার কথা। সেখানে এঁদের সঙ্গে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও অমিত শাহের বৈঠক হওয়ার কথা।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে কার্যত স্বপ্নভঙ্গ হয় বিজেপির। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিলেও, গেরুয়া ঝুলিতে আসে মাত্রই ৭৭টি। ভোটের ফলে মোহভঙ্গ হয়ে দল ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যান পদ্ম চিহ্ন জয়ী হওয়া কয়েকজন বিধায়ক। ঘটনার জেরে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ওপর ক্ষুব্ধ হতে থাকেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সপ্তাহখানেক আগে আচমকাই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। দিলীপের স্থলাভিষিক্ত হন পেশায় অধ্যাপক, বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করতে এদিনই তাঁর দিল্লি উড়ে যাওয়ার কথা। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এরই মধ্যে দিল্লি থেকে জরুরি তলব আসে দিলীপের কাছে। ডেকে পাঠানো হয় দিলীপ এবং অমিতাভকে। তার পরেই ঠিক হয় এদিন সন্ধ্যায় তিনজনেই ধরবেন দিল্লির উড়ান।
কী কারণে জরুরি তলব? বিজেপির একটি সূত্রের খবর, ২০২৪এর লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে বিজেপির গড় মজবুর করতে এবং লোকসভা নির্বাচকে টার্গেট করে খোলনলচে বদলানো হচ্ছে দলের রাজ্য সংগঠনের। ওই সংগঠন নিয়েই হতে পারে দিল্লির আলোচনা। সংগঠনে প্রবীণ নন, নবীনদেরই প্রাধান্য দিতে ভরসা রাখছে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। যাঁরা নিষ্ক্রিয়, দলের কোনও কর্মসূচিতেই অংশ নেন না, তাঁদের দল থেকে ছেঁটে ফেলে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও করা হচ্ছে বলে দাবি সূত্রের। এসব নিয়ে আলোচনা করতেই দিল্লি ডেকে পাঠানো হয়েছে তিন দিলীপ,অমিতাভ এবং সদ্য ভারপ্রাপ্ত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার কে। কেন ডেকে পাঠানো হল বিজেপির এই তিন মাথাকে তাই দেখার।
.jpeg)
