সম্ভবত নভেম্বরের শেষেই আসতে চলেছে বিজপির সভাপতির নতুন মুখ। কে হবেন নতুন সভাপতি? এই নিয়েই চলছে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা। পর পর দুটো টার্মে বিজেপির রাজ্য সভাপতি থাকার পর চলতি বছরের নভেম্বরে মাসে শেষ হয়ে যাচ্ছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে দিলীপ ঘোষের মেয়াদ। তাঁর জায়গায় কাকে বসানো হবে, তা নিয়েই বর্তমানে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। তবে কি এবার আসতে চলেছে কোন নতুন মুখ?
{link}
২০২৪ সালেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। ২০২১-এ বিধানসভায়ে আশানরুপ ফল না পাওয়ায় সংগঠন শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে রাজ্যের পদ্ম শিবিরের। তাই তার আগে রাজ্যের সংগঠন আরও মজবুত করে ঢেলে সাজানোর গুরু দায়িত্বটি পালন করতে হবে রাজ্য সভাপতিকেই। তাই এই পদে যোগ্যতম কাউকেই নির্বাচন করতে চাইছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির গঠনতন্ত্র অনুসারে, পদটি দু বছরের। টানা দু বারের বেশি কাউকে ওই পদে রাখা যায় না। সেই হিসেবে দিলীপেরবাবুর মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের নভেম্বর মাসে। তাঁর জায়গায় একজন দক্ষ কাউকে বসাতে চাইছে বিজেপি তা না হলে, বিধানসভা নির্বাচের পুনরাআবৃতি হতে পারে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনেও।
{link}
প্রথমে শোনা যাচ্ছিল ওই পদে বসানো হবে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীকে। তিনি সংঘ ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তাঁরই ওই পদে বসার সম্ভাবনা ছিল সব চেয়ে বেশি। তবে ইদানিং শোনা যাচ্ছে, দেবশ্রী নন, বিজেপির পরবর্তী রাজ্য সভাপতি হতে চলেছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। শুক্রবার রাজ্য রাজনীতিতে এনিয়ে চরমে ওঠে জল্পনা। এও রটে যায় দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে পরবর্তী রাজ্য সভাপতি হিসেবে সুকান্তের নাম প্রস্তাব করেছেন দিলীপ স্বয়ং। কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে সে খবর প্রচারিতও হয়। পরে অবশ্য দিলীপ স্বয়ং জল ঢেলে দেন এই জল্পনায়। তিনি বলেন, বিজেপিতে এভাবে সভাপতি ঠিক করা হয় না। তার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। বিজেপির তরফেই কোনও একটি নাম ঘোষণা করা হবে বলেও জানান দিলীপ। এখন কার নাম রাজ্যে নতুন রাজ্য সভাপতি হিসেবে উঠে আসে তার উপরেই নির্ভর করবে রাজ্য বিজেপির ভাগ্য।
