মোটের উপরে এখনও পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ। পুজোর পর সংক্রমণের গ্রাফ উর্ধমুখি হলেও প্রভাব পরেনি আগের মত। দেশে ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি ভাক্সিনেসানের গন্ডি টপকেছে। এরই মধ্যে হচ্ছে চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন । উপনির্বাচন হয়ে গেলে বিধানসভার পর্বও চুকে যাবে। এমতাবস্থায় রাজ্যের বকেয়া পুরসভাগুলির ভোট করাতে চলেছে রাজ্য সরকার, এমনই জানা যাচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের খবর, উৎসবের মরশুম কাটলেই পুরসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হবে। ভোট হবে ডিসেম্বরে, দু দফায়। {link}
করোনার কারণে স্থগিত রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভার নির্বাচন। নবান্ন সূত্রে খবর, প্রায় ১১৬টি পুরসভায় ভোট হয়নি। এগুলির মধ্যে রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর এবং শিলিগুড়ির মতো পুরসভাও। মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রশাসক দিয়ে চলছে পুরসভাগুলির কাজকর্ম। স্বাভাবিকভাবেই পুরসভার কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিঘ্নিত হচ্ছে নাগরিক পরিষেবাও। সেই কারণে পুরভোট দ্রুত করানো জরুরি বলে বুঝতে পেরেছে সরকারও।
{link}
রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে উপনির্বাচন শেষ হলেই পুরভোটের বিষয়ে ভাবা যাবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি নিজে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে। মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জের রাশও চলে এসেছে তৃণমূলের হাতে। চলতি মাসের ৩০ তারিখে উপনির্বাচন হবে রাজ্যের আরও চার বিধানসভা কেন্দ্রে। সেগুলিতেও তৃণমূলই জিতবে বলে আশাবাদী জোড়াফুল শিবির। সূত্রের খবর, সেই কারণেই ডিসেম্বরে ভোট করাতে চাইছে নবান্ন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ছটপুজোর পরেই জারি হবে বিজ্ঞপ্তি। আপাতত কলকাতা, হাওড়া এবং বিধাননগর পুরসভার ভোট হবে। বাকিগুলির ভোট হবে পরে। জানা গিয়েছে, ১২ ও ১৯ ডিসেম্বর দু দফায় হবে তিন পুরসভার ভোট। ফলেও বেরবে বড়দিনের ছুটির আগে। নববর্ষেই নতুন মেয়র পেয়ে যাবে বড় তিন পুরসভা।
{link}
দির্ঘদিন বিব্বহিন্ন পুরসভা কেন্দ্র গুলিতে ভোট না হওয়ার ফলে নাগরিক পরিসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন পুর এলাকায় বসবাসকারি মানুষ। এর একটা বড়সড় প্রভাব পরতে পারে পুরসভা নির্বাচনে। একধিক পুরসভা এলাকায় আছে রাস্তাঘাট পানীয়জল কিংবা জমাজলের সমস্যা। পুরবাসীকে সত্বর মুক্তি দিতে না পারলে পুরনির্বাচনে তার একটা বড়সড় প্রভাব পরার আশঙ্কা করছে রাজ্য সরকার।
{ads}