বর্তমানে কার্যত বাংলার রাজনৈতিক মহলে রমরমা বাজার চলছে তৃণমূলের। বিধানসভা ভোটে বিপুল অঙ্কে জয়লাভ, তার উপর ভোটপর্ব মিটতেই একাধিক বিরোধী পক্ষের নেতার যোগদান যাকে বলে সোনায় সোহাগা। বঙ্গ রাজনীতিতে কার্যত এখন একাই রাজত্ব চলছে ঘাসফুল শিবিরের। বিজেপি ঘুরে তৃণমূলে ফিরে গিয়েছেন মুকুল রায়। মন্ত্রিত্ব খুইয়ে এক রাশ ক্ষোভ উগরে জোড়াফুল আঁকা উত্তরীয় পরেছেন বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয়। এঁদের চেয়েও বড় নেতা বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়ে দিলেন ঘাসফুল শিবিরের নেতা ফিরহাদ হাকিম। আজ, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে একথা জানান তিনি।
৩০শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির প্রার্থী আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। আর কাস্তে হাতুড়ি চিহ্নে লড়ছেন সিপিএমের তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস। একুশের ভোটে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মমতা দাঁড়িয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হাজার দুয়েক ভোটে হেরে যান তিনি। দলনেত্রীকে জায়গা ছাড়তে ইস্তফা দেন ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে হচ্ছে উপনির্বাচন।
{link}
এদিন দলনেত্রীর হয়ে প্রচারে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। তখনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আগামী দিনে আরও বড় নাম বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসবে। এমন একজন যোগ দেবেন, যার কথা বিজেপি ভাবতেও পারছে না। তিনি বলেন, বিধায়করা তো যোগ দিচ্ছেনই। আরও অনেকে আসবেন। তবে ঠিক কে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন, তা খোলসা করেননি ফিরহাদ। তিনি শুধু বলেন, যে বড় নেতার কথা বলছি, তিনি আগে কখনও তৃণমূলে ছিলেন না। তিনি বিজেপিরই লোক।
{link}
মাস দুয়েক আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন মুকুল রায়। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন ছেলে শুভ্রাংশুকেও। মুকুলের পদাঙ্ক অনুসরণ করে দল ছেড়েছেন আরও কয়েকজন বিধায়ক। বেসুরোও হয়েছেন অনেকে। আগাম কোনও ইঙ্গিত ছাড়াই তৃণমূলে গিয়ে ভিড়েছেন বাবুল সুপ্রিয়।এবার কে? সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন। তবে কি তিনি লকেট চট্টোপাধ্যায়? আবার এই মূহুর্তে রাজ্য সভাপতির পদ খুইয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তবে কি তিনি নাকি? যে কেউই হতে পারেন… সবটাই বলবে সময়।
