আসন্ন সময়ে ফের কলকাতা পুরসভার মেয়র হবেন ফিরহাদ হাকিমই। সেই কারণেই যাবতীয় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ফিরহাদকে ফের মনোনয়ন দিল তৃণমূল। তবে তিনিই মেয়র হচ্ছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ নিজে বলেন, আমি দলের অনুগত সৈনিক। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ফল প্রকাশের পর দলের সঙ্গে আলোচনা করে জন প্রতিনিধিরা ঠিক করবেন কে মেয়র পদে বসবেন। তবে মেয়র যে ফিরহাদই হবেন তাই ধরে নিয়েছেন অধিকাংশ রাজনীতিবিদরা।
২০১৮ সালেই মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল কলকাতা পুরসভার। তারপর আর ভোট হয়নি। চলতি বছরের ১৯শে ডিসেম্বর হবে বকেয়া ওই ভোট। এর আগের নির্বাচনে পুরসভার ১৪৪টি আসনের মধ্যে ১২৪টিতে জয় পেয়েছিল তৃণমূল। সেবার সিপিএম পেয়েছিল ১৩টি আসন। ৫টি আসন পেয়ে বিজেপি হয়েছিল তৃতীয়। আর মাত্র ২টি আসন পেয়েছিল কংগ্রেস।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ই এক ব্যক্তি এক পদ নীতি ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের পরে তিনি তা লাগুও করেন। জেলা সভাপতিরা একই সঙ্গে মন্ত্রী পদে থাকতে পারবেন না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। তার জেরে পদও খোয়ান অনেকে।
{link}
তবে কলকাতা পুরসভার সব ক্ষেত্রে অনুসৃত হয়নি এক ব্যক্তি এক পদ নীতি। যেমন ফিরহাদ। রাজনৈতিক মহলের মতে, ফিরহাদকে ফের মেয়র পদে বসাতে চান তৃণমূল নেত্রী। এর কারণ দুটি। এক, ফিরহাদ দক্ষ প্রশাসক। মন্ত্রিত্বের অভি়জ্ঞতা ছাড়াও পুরসভা চালানোর অভিজ্ঞতাও তাঁর রয়েছে। আর দুই, ফিরহাদ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। লোকসভা ভোটের আগে যা মাইলেজ দেবে তৃণমূলকে। সেই কারণেই এবারও ফের ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে জোড়াফুল প্রার্থী তিনি। অর্থাৎ ঠিক যেটা ভাবা হয়েছিল, তা হলনা, পুরসভা নির্বাচনে নিজেদের এক ব্যাক্তি এক পদ নীতি বিসর্জন দিয়ে অভিজ্ঞতার উপরেই ভরসা রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। এখন এই অভিজ্ঞতা তৃণমূল কংগ্রেস শিবিরকে পুরসভা নির্বাচনে জয় এনে দিতে পারে কি না, তাই দেখার বিষয়।
.jpeg)
