৩০ অক্টোবর খড়দা সহ রাজ্যের চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে। তার আগে প্রচারে বেরিয়ে রাজনৈতিক সৌজন্য গিয়ে তৈরি হল বিতর্ক। খড়দা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন কাজল সিনহা। কিন্তু ভোটপর্বের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। খড়দহের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা প্রচারে বেরিয়ে গেলেন তাঁরই বাড়ি।বিজেপি প্রার্থীর মাথায় প্রয়াত তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রীর আশীর্বাদী হাত! তাই উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত গেরুয়া শিবির। তাঁদের দাবি, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের চেয়ে উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন পদ্ম-প্রার্থী। যদিও তৃণমূলের দাবি, প্রয়াত তৃণমূল নেতা তথা ওই কেন্দ্রের বিজয়ী প্রার্থী কাজল সিনহার জায়গায় যিনি জোড়াফুলের প্রার্থী হয়েছেন, সেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই জিতবেন।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে খড়দহে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী কাজল সিনহা। ফল বের হওয়ার আগেই প্রয়াত হন তিনি। তাই ওই কেন্দ্রে হচ্ছে অকাল নির্বাচন। এবার তৃণমূলের প্রার্থী বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে এদিন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা প্রথমেই যান কাজলের বাড়িতে। তাঁর ছবিতে মাল্যদান করার পাশাপাশি চেয়ে নেন তাঁর স্ত্রীর আশীর্বাদও। জয়ের মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করেন কাজলের স্ত্রী নন্দিতা সিনহা।এতেই ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতৃত্ব। দলীয় প্রার্থী শোভনদেব বলেন, সুস্থতা কামনা করা যেতেই পারে। কিন্তু কোনওভাবেই জয়ী হওয়ার আশীর্বাদ করতে পারেন না নন্দিতা।
{link}
বিজেপি প্রার্থীকে নন্দিতা আশীর্বাদ করায় যার পর নাই খুশি গেরুয়া নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, উপনির্বাচনে খড়দহ কেন্দ্রে এর প্রভাব পড়বে ভালোই। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, ৮০ বছরের এক বৃদ্ধের সঙ্গে লড়াই করছেন ৩২ বছরের এক ভূমিপুত্র। এলাকার মানুষ জয়কেই জয়ের মুখ দেখাবেন। জয়ের জেতার ব্যাপারে আমি ২০০ শতাংশ নিশ্চিত।
.jpeg)
