পুরভোটেও রমরমা ভুয়ো ভোটারের। সেই নিয়েই রীতিমতো উত্তেজনার আবহ গড়ে উঠেছে ভোটগ্রহন বুথ কে কেন্দ্র করে। ধাওয়া করে ভুয়ো তেমনই এক ভুয়ো ভোটারকে ধরে ফেললেন কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে সূত্রের খবর। ঘটনার জেরে কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে শুরু হয় ধস্তাধস্তি বলেও জানা যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারপর ফের একপ্রস্ত ধস্তাধস্তি হয়। পরে ঘটনাস্থলে যান ডিসি সেন্ট্রাল। তার পরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে সূত্র মারফত খবর পাওয়া গিয়েছে।
{link}
রবিবার সকাল থেকে টানটান উত্তেজনায় ভোট চলছে ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে। বেলা ১০টার দিকে কয়েকজন বহিরাগত ভোট দিতে যান বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে যান কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। তিনি গিয়ে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন এক ভুয়ো ভোটারকে। জানানোর পরেও পুলিশ ওই ভোটারকে ধরেনি বলে অভিযোগ। পুলিশ কোনও পদক্ষেপও করেনি। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায় তৃণমূল এবং কংগ্রেস কর্মীদের। খবর পেয়ে লালবাজার থেকে যায় বিশাল বাহিনী। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান ডিসি সেন্ট্রাল রূপেশ কুমার।
{link}
এদিকে উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাগবাজারেরও এক বুথে। সেখানে বিজেপি প্রার্থীকে বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার জেরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ গেলে এখানেও একপ্রস্থ উত্তেজনা ছড়ায় দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে।
এহেন একাধিক খবর ছড়িয়ে পড়ার পরেই বহিরাগতদের রুখতে কলকাতা জুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। তার পরেও ভুয়ো ভোটাররা ছাপ্পা দিয়ে বেড়াল বলে অভিযোগ। তবে কি শাসক শিবিরকে পুরভোট জিততেও সাহায্য নিতে হচ্ছে ভুয়ো ভোটারের? প্রশ্নে এখন রীতিমতো উত্তাল বঙ্গের রাজনৈতিক মহল।

