সফল হয়েছে তৃনমুলের মিশন ত্রিপুরা। তারপর থেকেই লক্ষ্য সারা ভারতে সংগঠন বিস্তার করা। কিছুদিন আগেই তৃনমুলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন গোয়ার প্রাক্তন মুক্ষ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো। এবার পরবর্তি টার্গেট মেঘালয় থাকলেও মেঘালয় দখলের প্রশ্নে তৃণমূলকে মাত দিল কংগ্রেস। অন্তত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা তাই। কারণ মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমাকে দলে টেনে মেঘালয় দখলের স্বপ্ন দেখছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তবে সেই স্বপ্ন যে আপাতত পূরণ হচ্ছে না, তা বলাই বাহুল্য। কারণ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধির সঙ্গে দিল্লি গিয়ে দেখা করলেন মুকুল।
{link}
তৃতীয়বারেও বাংলা বিজয় সফল হতেই তামাম ভারতে সংগঠন গড়তে উঠেপড়ে লাগেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সংগঠন বিস্তারের ভার হাতে তুলে নেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় সংগঠন গড়ে তুলতে সফল হয়েছে তৃণমূল। বিপ্লব দেবের রাজ্যে পায়ের তলায় মাটি পেতে আগরতলায় মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন তৃণমূল নেতারা। ত্রিপুরার দখল নিতেই মূলত প্রয়াত সন্তোষমোহন দেবের কন্যা সুস্মিতা দেবকে দলে নিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।
{link}
কেবল বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরা নয়, উত্তর-পূর্বের ছোট ছোট রাজ্যগুলিতেও সংগঠন বিস্তারের চেষ্টা করছে তৃণমূল। মেঘালয়ে পক্ষ্ম বিস্তার করতে তৃণমূল নেতৃত্ব চেয়েছিলেন সে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের মুকুল সাংমাকে দলে টানতে। মুকুলের সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ ব্যাপারে একপ্রস্ত আলোচনাও হয়েছে।
সূত্রের খবর, তার পরেই মুকুলকে দলে ধরে রাখতে তোড়জোড় শুরু করেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। সেই মতো তাঁকে ডেকে পাঠানো হয় দিল্লিতে। মুকুল দেখা করেন রাহুলের সঙ্গে। তার পরেই গলে মুকুল-কংগ্রেস সম্পর্কের বরফ! মেঘালয়ের আসন্ন উপনির্বাচন নিয়ে দুজনের বিস্তর আলোচনাও হয়।
মেঘালয়ের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভিনসেন্ট এইচ পালা। এঁকেই প্রদেশ সভাপতি করায় শুরু হয়েছিল মুকুল-কংগ্রেস অশান্তি। যে অশান্তির আগুনে রবিবার জল ঢেলে দিলেন কংগ্রেসের তরুণ তুর্কি নেতা রাহুল গান্ধি। কিছুদিন আগেই কলকাতায়ে এসে তৃনমুলের জোরাফুলের ঝান্ডা হাতে তুলে নেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো। তার সাথেই ঘাঁটি অনেকটাই শক্ত হয়েছে ত্রিপুরাতে। পরবর্তি টার্গেট মিজোরামের রাজ্যের মুকুল সাংমাকে জোরাফুল শিবিরে যোগ দেওয়াতে চাইলেও এখন সেই স্বপ্ন পুরন হচ্ছে না তৃনমুলের।
