সংগঠন বিস্তার সফল হয়েছে ত্রিপুরাতে।এবার তৃণমূলের টার্গেট গোয়া কি গোয়া? জোড়াফুল শিবিরের একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর, সেই কারণেই বিজেপি শাসিত গোয়া উড়ে গিয়েছেন তৃণমূলের দুই সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের মস্তিষ্ক।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে চোখ ধাঁধানো সাফল্য পায় তৃণমূল। এর পরেই নয়া দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সংগঠন বিস্তারের কাজে আগ্রহী হওয়ায় তাঁকে দেওয়া হয় সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পদ। তার পরেই গোটা দেশে সংগঠন গড়তে উদ্যোগী হন তিনি। সাকশেসফুল হয় মিশন ত্রিপুরা। গুয়াহাটি থেকে গোয়া সর্বত্র ঘাসফুলের পতাকা ওড়াতে সচেষ্ট হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এজন্য বিজেপির দেখানো পথই অবলম্বন করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই মতো প্রথমে উত্তর-পূর্বের ছোট রাজ্যগুলির দিকে শ্যেন দৃষ্টি হানেন অভিষেক বন্ধোপাধ্যায়।
{link}
সূত্রের খবর, সম্প্রতি নবান্নে গিয়ে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন পিকে। সেখানেই মেঘালয়-ত্রিপুরা-অসম-মণিপুরের পাশাপাশি গোয়ায়ও সংগঠন বিস্তারের পরিকল্পনা ছকা হয়। সেই মতো গোয়ায় গিয়ে সমীক্ষা করতে শুরু করে পিকে-র টিম আইপ্যাক। পেশাদারি ওই সংস্থার তরফে সবুজ সংকেত পেয়েই গোয়া উড়ে যান ডেরেক ও প্রসূন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি শাসিত গোয়ায় কংগ্রেস মৃতপ্রায়। তাই আইপ্যাকের পরামর্শ অনুযায়ী সেখানে তৃণমূলই হয়ে উঠতে পারে বিজেপির বিকল্প শক্তি। সেই কারণেই প্রথমে আইপ্যাক এবং পরে তৃণমূলের দুই সাংসদ উড়ে গিয়েছেন গোয়া রাজ্যে। এখন দেখার, পদ্মের জায়গায় গোয়ার মাটিতে জোড়া ফুলের পতাকা উড়াতে পারেন কিনা তৃণমূল।
