আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দিল্লি জয়ের লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর হয়ে উঠেছে তৃণমূল। সেই লক্ষপূরনের উদ্দেশ্যেই এখন থেকেই লড়াইয়ে নেমেও পড়েছেন তারা। অন্যদিকে এই মুহূর্তে রাজ্যে অন্যতম বিতর্কিত এক ইস্যু হয়ে উঠছে উত্তরবঙ্গ ভিন্ন করার প্রসঙ্গ। যারা দেশ বিক্রি করতে চায়, তারা ভাবছে দেশটার সঙ্গে বাংলাটাকেও বিক্রি করে দিই। অত সহজ নয়! খেলা হবে। গতকাল, বুধবার বাংলা ভাগ নিয়ে এই ভাষায়ই বিজেপিকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে মমতা বলেন, খেলা হবে। অত সহজে আমরা খেলায় হারতে চাই না।
বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পরে পরেই পৃথক রাজ্যের দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ বিজেপির জন বার্লা। উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য, নিদেন পক্ষে কেন্দ্রীয় অঞ্চল ঘোষণার দাবিতে সুর চড়ান তিনি। তার পরে পরেই বিজেপির আর এক সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-ও পৃথক জঙ্গলমহলের দাবি তোলেন। সেই সময়ই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন, যাঁরা পৃথক রাজ্য দাবি করছেন, তা একান্তই তাঁদের দাবি, দলের নয়।
{link}
তবে এবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে দলীয় সাংসদকে পাশে বসিয়ে দিলীপ বলেন, আজ যদি উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল আলাদা রাজ্যের দাবি তোলে, তাহলে তার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কারণ এখনও উত্তরবঙ্গ বা জঙ্গলমহলের মানুষকে শিক্ষা বা কর্মসংস্থানের জন্য বাইরের রাজ্যে যেতে হচ্ছে। দিলীপ বলেন, এই অবস্থায় তাঁরা যদি পৃথক রাজ্যের দাবি তোলেন, তাহলে তা অবৈধ নয়।
এদিন সেই প্রসঙ্গেই মমতা বলেন, যারা দেশ বিক্রি করতে চায়, তারা ভাবছে দেশটার সঙ্গে বাংলাটাকেও বিক্রি করে দিই। অত সহজ নয়। খেলা হবে। অত সহজে আমরা খেলায় হারতে চাই না। এটা মাথায় রাখতে হবে। তাঁর হুঁশিয়ারি, বিজেপি নেতাদের মতে দেশ চলবে না। বিজেপি মন্ত্রীদের কথায় বাংলা ভাগ হবে না। এই ইস্যু ঘিরে যে ভবিষ্যতেও বিপুল রাজনৈতিক জলঘোলা হতে চলেছে তা স্পষ্ট। যদিও রাজ্য ভাগ হোক তা কেউই চান না।
.jpeg)
