সামনে এগিয়ে আসছে উপনির্বাচন, সেই নিয়েই ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনৈতিক মহল। জমে উঠছে রাজনৈতিক লড়াই। নন্দীগ্রামে হেরেছেন। ভবানীপুরেও হারবেন। এ ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। এই দাবি ভবানীপুরের প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালের নয়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের। আজ, রবিবার ইকোপার্কে প্রাতর্ভ্রমণে বেরিয়ে একথা বলেন দিলীপ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী না থাকলে তৃণমূল পার্টিটাই উঠে যাবে বলেও মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
৩০ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রের তিন হেভিওয়েট প্রার্থীই আইনজীবী। তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল দুঁদে আইনজীবী। সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাসও তরুণ আইনজীবী। তাই এই কেন্দ্রকে ঘিরে টানটান উত্তেজনা সব শিবিরেই। প্রার্থী বাছাই থেকে দেওয়াল লিখন, ভবানীপুরে সবেতেই এগিয়ে রাজ্যের শাসক দল। তৃণমূল সুপ্রিমোর নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই প্রচারে নেমে পড়েছিলেন ঘাসফুল শিবিরের নেতা-মন্ত্রী-কর্মী-সমর্থকরা। প্রার্থী ঘোষণা করতে দেরি করে বিজেপি। শেষমেশ নাম ঘোষণা হয় প্রিয়ঙ্কার।
{link}
দলীয় প্রার্থীর জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী দিলীপ। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে(মমতা) হেরেছেন। ভবানীপুরেও হারবেন। এ ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি মুখ্যমন্ত্রী না থাকেন, তাহলে গোটা তৃণমূল পার্টিটাই উঠে যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের গড় ভবানীপুরেও হারার ভয় পাচ্ছেন। তাই সব মন্ত্রীদের পাড়ায় পাড়ায় ঘোরাচ্ছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, আমরা মানুষের কাছে যাব। সিদ্ধান্ত তো নেবে মানুষ। তাই মানুষের রায়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের বিশ্বাস, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব আমরা।
স্বাভাবিক ভাবেই এই সময়ে উপ্নির্বাচনের লড়াইয়ে কার্যত ঘৃতাহুতি পড়েই গেছে। শেষে বিজেপির এই আইনজীবী প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যৎকে কোনরকমভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিতে সক্ষম হন কি না সেটাই লক্ষনীয় বিষয়।

