মুম্বই তে গিয়ে ফের দলের শক্তি বেশ কিছুটা বৃদ্ধি করে রাজ্যে ফিরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মুম্বই থেকে কলকাতায় ফিরেই বৈঠকে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন শুনেই নবান্নে চলে যান পিকে। সেখানেই হয় বৈঠক। বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ও পিকে ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
পিকে-মমতা-অভিষেক এই ত্রয়ীর বৈঠক রাজনৈতিক দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বই কি! একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখলের পর সংগঠন বিস্তারে মন দেয় তৃণমূল। মহারাষ্ট্র সফর সেরে সে ব্যাপারেই কোনও আলোচনা হতে পারে বলেও ধারণা রাজনীতির কারবারিদের।
{link}
উত্তর পূর্বের ত্রিপুরা দখলে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল। ত্রিপুরার পাশাপাশি উত্তর পূর্বের আরও একটি রাজ্য মেঘালয়ও দখল করেছে তৃণমূল। সেখানকার কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। উত্তর পূর্বের এই রাজ্যগুলির পাশাপাশি আরব সাগরের তীরের ছোট্ট রাজ্য গোয়া দখলেও কোমর কষে নেমেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। গোয়ার পর তৃণমূল নেত্রী স্বয়ং উড়ে যান মুম্বই। সেখানে দেখা করেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের সঙ্গে। রাজনৈতিক দৃষ্টভঙ্গী থেকে যার গুরুত্ব অপরিসীম। পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠকের পরেই মমতা বলেন, এখানে আর কোনও ইউপিএ নেই।
মমতার সঙ্গে বৈঠকের পর পাওয়ার বলেন, যে দলই বিজেপির বিরোধিতা করবে, তারাই এক ছাতার তলায় আসতে পারে। তাই মহাজোটের গতিপ্রকৃতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে ত্রয়ীর বৈঠকে। মেঘালয়ের ১২ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। সে ব্যাপারেও হতে পারে আলোচনা। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের সাথে কেন্দ্রে যে ক্রমশ সম্পর্কের অবনতি হচ্ছে সেই বিষয়ের আলোচনাটাও হওয়ার এক সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই সকলই অনুমানমাত্র!
