বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল অঙ্কে জয়লাভ। বিপক্ষ শিবিরকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে জয় পেয়ছে তৃণমূল কংগ্রেস। লড়াইয়ের ময়দানে কার্যত সেভাবে দাঁড়াতেই পারেনি বিজেপি। কিন্তু বিপক্ষ শিবিরের কেন এহেন পরাজয়? ব্যাখ্যা করলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপর্যয়ের কারণ ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর মতে, বিজেপির লক্ষ্য ছিল শুধুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো। সেই লক্ষ্যে তারা সফল হয়েছে, মুখে তিনি একথা না বললেও, তাঁর বক্তব্যেই তা স্পষ্ট। ভবানীপুরের প্রচারে গিয়ে মমতা বলেন, নন্দীগ্রামে হারলেও ভবানীপুরে জিতেই এবার ভবানীপুর থেকেই ভারত-জয়ের যাত্রা শুরু হবে।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। যিনি ভোটের মাস কয়েক আগে তাঁরই সতীর্থ ছিলেন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে তৃণমূল প্রার্থী ধরাশায়ী হন হাজার দুয়েক ভোটে। ওই ভোটে চোখ ধাঁধানো ফল করে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী হন দলনেত্রী। তবে নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রী পদে থাকতে হলে কোনও ব্যক্তিকে ছ মাসের মধ্যে জিতে আসতে হয় কোনও একটি কেন্দ্র থেকে। সেই জন্যই মমতাক জায়গা ছেড়ে দেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। শোভনদেব বিধায়ক পদে ইস্তফা দেওয়ায় এই আসনে হচ্ছে উপনির্বাচন। নন্দীগ্রামে হারের বদলা নিতে ভবানীপুরে দলনেত্রীকে জেতাতে মরিয়া তৃণমূল। মমতাও ভবানীপুর চষে বেড়াচ্ছেন রেকর্ড মার্জিনে জিততে। এরকমই এক প্রচারে বেরিয়ে বিজেপির হারের কারণ ব্যাখ্যা করেন মমতা। বলেন, বিজেপি টার্গেট নিয়েছিল শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে। তাই সর্ব শক্তি দিয়ে আমাকে হারানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমাকে হারাতেই সব শক্তি শেষ। সেই কারণেই বাকি আনসগুলিতে আমরা জিতেছি। রেকর্ড আসনে জিতে বাংলায় আবার ক্ষমতায় ফিরেছে তৃণমূল।
{link}
কিন্তু বিধানসভা ভোটে বিপুল জয়ের পরেও রয়ে গেছে নন্দীগ্রমে পরাজয়ের ক্ষত। সেই ক্ষত আজও মেটেনি তৃণমূলের। যে কারনেই উপনির্বাচনের লড়াইয়ে আজ নামতে হচ্ছে তৃণমূলকে। নামতে হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। ভবানীপুর নির্বাচনে বিপুল অঙ্কে জিতেই সেই ক্ষত মেটাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস।
.jpeg)
