গতকাল থেকেই ত্রিপুরায় উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিবেশ, একাধিক বিক্ষোভের ঘটনার কারনে। এবার ব্যাটেলফিল্ডে তৃণমূল নেত্রী স্বয়ং! প্রয়োজনে আজ, রবিবারই ত্রিপুরা উড়ে যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই সকালে খোয়াইয়ে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে ত্রিপুরা পুলিশ। টুইটে একথা জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তার জেরেই দলনেত্রীর অকাল ত্রিপুরা গমন! এভাবে দলের উপর হতে থাকা অন্যায় মেনে নিতে পারছেন না তিনি বলেই মনে করছেন রাজ্যের রাজনৈতিক শিবির।
{link}
২০২৩ বিধানসভা নির্বাচন ত্রিপুরায়। এখন থেকেই দলের অন্দরে চওড়া হতে শুরু করেছে ফাটল। গেরুয়া শিবিরের এই সূচিছিদ্র পথেই ত্রিপুরায় পা রাখতে চলেছে তৃণমূল। পঁচিশ বছরের বাম শাসনের জেরে ক্লান্ত ত্রিপুরাবাসী ক্ষমতায় আনে বিজেপিকে। তার পর থেকেই একের পর এক অভিযোগ উঠতে থাকে বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে। স্বাভাবিকভাবেই তৃতীয় বিকল্পের খোঁজে ত্রিপুরাবাসী। এই জায়গাটায়ই ধরতে চলেছে তৃণমূল। তা করতে গিয়েই বিজেপির রোষের মুখে সবুজ শিবির!
{link}
তৃণমূল সূত্রে খবর, শনিবার রাত থেকে তৃণমূলের তিন নেতা সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত ও দেবাংশু ভট্টাচার্যের ওপর হামলা হয়। সারারাত আটকে রেখে গ্রেফতার করা হয় ওই তিনজনকে। তৃণমূলের আরও আটজনকেও গ্রেফতার করে ত্রিপুরা পুলিশ। এই এগারোজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে মহামারী আইনে। খবর পেয়ে এদিনই সকালে আগরতলার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন তৃণমূলের দুই নেতা কুণাল ঘোষ ও ব্রাত্য বসু। এদিনই ত্রিপুরেশ্বরীর রাজ্যে যাওয়ার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এদিন বিমান ধরার আগে ব্রাত্য জানান, প্রয়োজনে ত্রিপুরা যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, ত্রিপুরায় গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। কীভাবে ত্রিপুরায় বিরোধীদের ওপর জুলুমবাজি করা হচ্ছে, তা দেখে বোঝা যাচ্ছে, ত্রিপুরা বিজেপি ভয় পেয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের মেরে ধরে ধমকে চমকে আটকানো যাবে না।
ত্রিপুরায় মমতা ব্যানার্জি অবতীর্ন হলে যে সেখানে লড়াইয়ের জোর অনেকটা বাড়বে তা স্বাভাবিক। মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং ত্রিপুরায় পৌঁছালে আরও বড়ো কোন বিক্ষোভও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তাই দেখার অপেক্ষায় ত্রিপুরা ও রাজ্যবাসী।
.jpeg)
