নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বিজেপি-বিরোধী জোটের মুখ হিসেবে দেশে এগিয়ে নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই! মুড অফ নেশনের সামীক্ষায়ই উঠে এসেছে এমনই তথ্য। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করায় উঠে যে কেন্দ্রীয় স্তরে মুখ্যমন্ত্রীর ইমেজে বেশ গুরুত্ব ও জনপ্রিয়তা বেড়েছে তা স্পষ্ট। মমতার পরে দেশের বেশিরভাগ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। এই তলিকায় তিন নম্বরে নাম রয়েছে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধির। যা দেখে কার্যত রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো জল্পনা শুরু হয়েছে।
{link}
২০২৪ মহারণ। লোকসভার নির্বাচন হবে ওই বছরই। শুরু হয়ে গিয়েছে যুদ্ধের প্রস্তুতি। বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী সেই নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জনপ্রিয়তাকেই কাজে লাগিয়ে কিস্তিমাত করতে চাইছেন পদ্ম নেতৃত্ব। বিজেপিকে হারাতে গেরুয়া-বিরোধী শিবিরকে একসূত্রে গাঁথার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ স্মরণ অনুষ্ঠানে দেশের বিজেপি বিরোধী সব দলকে এক জোট হওয়ার আহ্বান জানান মমতা। সেই মতো দিল্লিতে প্রথমে প্রশান্ত কিশোর এবং পরে তৃণমূল নেত্রী স্বয়ং গিয়ে বৈঠক করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে। আলাদা করে তৃণমূল নেত্রী বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরার সঙ্গে। ওই বৈঠক থেকেই মমতা ফোন করেন কংগ্রেস হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধির সঙ্গে। পরে কংগ্রেসের সঙ্গে মমতার সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে যায়। কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে মমতাকে মুখ করে বিজেপি বিরোধী জোট গড়ার উদ্যোগ শুরু হয় তৃণমূলের তরফে।
{link}
এমতাবস্থায় সমীক্ষা করে মুড অফ নেশন নামে একটি সংস্থা। ওই সংস্থার সমীক্ষায় দেখা যায়, মমতার দেশের বেশিরভাগ মানুষ প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছেন। তার পরে রাহুল নন, নাম রয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। এই তলিকায় তিন নম্বরে নাম রয়েছে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধির। ভোটারদের ১৭ শতাংশই ভোট দিয়েছেন মমতার পক্ষে। ১৬ শতাংশ কেজরিওয়ালের পক্ষে। রাহুল রয়েছেন এই দুজনের ঢের পরে। কিন্তু আদৌ কি চিত্র এহেন হবে? কারন কেন্দ্রীয় স্তরে তৃনমূলের থেকে কংগ্রেস ও কেজরিওয়ালের আআপ-এর শক্তি তুলনায় অনেক বেশি। সেই দিক থেকে মুড অফ নেশনের সমীক্ষার ফল আদৌ মিলবে কি না সেই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
