Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

'ভোল বদলেছেন তৃণমূল নেত্রী'- রাজীবের ফিরে আসার প্রসঙ্গে মন্তব্য কল্যানের

Loading... রাজ্য
'ভোল বদলেছেন তৃণমূল নেত্রী'- রাজীবের ফিরে আসার প্রসঙ্গে মন্তব্য কল্যানের
#news #politics #Rajib Banerjee #Mamata Banerjee #Kalyan Banerjee #Abhishek Banerjee #Domjur #Howrah #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

রাজীবের দলে ফেরায় খুশি হয়েছেন অনেকে, তেমনই আবার একইভাবে এতে যারপরনাই ক্ষুদ্ধ হওয়া ঘাসফুল নেতৃত্বও রয়েছেন। এই যেমন ধরা যাক কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা! রাজীব দল ছাড়ার পর তার ঘুম কেড়ে নেব বলেছিলেন এই সাংসদ। সেই রাজীবই দলে ফেরায় কার্যত ক্রোধে ফুঁসছেন তিনি। ভোল বদলেছেন তৃণমূল নেত্রী! মন্তব্য করেছেন হুগলির সাংসদ তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ত্রিপুরায় গিয়ে জোড়াফুল শিবিরে নাম লেখান তিনি। তার পরেই দলনেত্রীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন কল্যাণ।  

{link}
বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া খাতায় নাম লেখান মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রে জোড়াফুলের প্রার্থীর কাছে গোহারা হারেন পদ্ম-প্রার্থী রাজীব। এর পরেই বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেন ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক। অহর্নিশ মমতা-স্তুতি গেয়ে তৃণমূল নেত্রীর মানভঞ্জন করার চেষ্টা চালিয়ে যান তিনি। নানা অছিলায় তৃণমূলের শীর্ষস্তরের নেতাদের সঙ্গে দেখা করেন রাজীব। বিজেপি ঘুরে তৃণমূলে ফেরা মুকুল রায়ের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। প্রতিবারই সাফাই দিয়েছেন, সৌজন্য সাক্ষাৎ করতেই গিয়েছিলেন তিনি। রাজীব কথা বলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও। এরপর রবিবার ত্রিপুরায় অভিষেকের সভায় গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন রাজীব।


তবে রাজীবকে দলে ফেরাতে চাননি হাওড়া তৃণমূলের একটা বড় অংশ। বর্ষীয়ান নেতা অরূপ রায়ের পাশাপাশি হুগলির সাংসদ তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাজীবকে ফেরানোর তীব্র প্রতিবাদ করেন। তার পরেও রাজীবকে দলে ফেরানোয় ক্ষোভ উগরে দেন কল্যাণ। তিনি বলেন, ভোটের সময় ডোমজুড়ের এক সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৩-৪টি বাড়ি রয়েছে গড়িয়াহাটে। দুবাইয়ে তাঁরা টাকার লেনদেন চলছিল। তার পরেও তাঁকে কেন দলে নেওয়া হল, তা শীর্ষ নেতৃত্ব বলতে পারবেন। কল্যাণ বলেন, অভিষেক বলেছিলেন, দলের কোনও কর্মীর মনে আঘাত করে কোনও বিশ্বাসঘাতককে দলে নেওয়া হবে না। তৃণমূলে থাকতে হলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তা মেনেই সবাইকে চলতে হবে। আমাকেও চলতে হবে। এরকম একটা টপ টু বটম কোরাপ্টেড লোককে দলে কেন নেওয়া হল? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। 

{link}
একথা স্পষ্ট যে, মুখে শীর্ষ নেতৃত্ব যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তা মেনেই সবাইকে চলতে হবে বলে নিজের মেনে নেওয়ার কথা বললেও দলের নেওয়া এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না তিনি। দলের এই পদক্ষেপে ভিতরে ভিতরে ক্ষোভে ফুঁসছেন তিনি। তারই মতো এহেন একই অবস্থা হাওড়ার আরও বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতৃত্বের। এতএব ত্রিপুরায় দলে ফেরা সম্ভব হলেও নিজ ঘাঁটি হাওড়ায় এখনও সেই পুরোনো গদি ফিরে পাওয়ার রাস্তা ভীষন রকম ‘দুর্গম’ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 

সর্বশেষ আপডেট: