কার্যত বিস্ফোরন ঘটল বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে। আদালতে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ রাখাল বেরা। এদিন কাঁথি থানার পুলিশ তাঁকে কাঁথি আদালতে হাজির করালে রাখাল চিৎকার করে বলতে থাকেন, আমাকে স্বেচ্ছামৃত্যুর পারমিশন দেওয়া হোক। কিন্তু হঠাৎ কেন এহেন সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি? প্রশ্ন এখন সেইখানেই।
{link}
নিয়ম অনুযায়ী, স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করতে হলে তাঁকে লিখিত আবেদন করতে হয়। রাখাল সে রকম কিছু করেননি। তাই তাঁর আবেদনে কান দেয়নি আদালত। রাখালের আইনজীবী অনির্বাণ চক্রবর্তী বলেন, এই ধরনের আবেদন আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। তবে রাখালের ওপর বিভিন্ন থানায় বিভিন্ন ধারায় যেভাবে দিনের পর দিন মিথ্যা মামলা চাপানো হচ্ছে, সেই যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরেই তিনি এই ধরনের আবেদন জানিয়েছেন। রাখাল ব্যবসায়ী। তাঁর ওপর একের পর এক মিথ্যা মামলা রুজু করা হচ্ছে। রাখাল শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ। কাঁথি থানায় রাখালের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। একটি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, আর অন্যটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ভর্তি করিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
{link}
সোমবার রাখালকে তোলা হয় কাঁথি আদালতে। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগের মামলায় জামিন পান তিনি। তবে কম্পিউটার প্রশিক্ষণে ভর্তি করিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগের মামলায় তাঁকে ফের চারদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। আদালতে রাখালের স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদনের ঘটনায় চাঞ্চল্য রাজনৈতিক মহলে। তাঁদের ধারণা, মিথ্যে মামলায় জেরবার হয়েই এই আবেদন করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়কের ঘনিষ্ঠ রাখাল। এখন সেই ক্ষেত্রে আদৌ সেইগুলি সত্যি কি না, সেই দিকেই নির্ভর করছে তার ভবিষ্যৎ।
{ads}