বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলেন সব্যসাচী দত্ত। তাঁর জোড়াফুল শিবিরে ফেরার পথের কাঁটা ওপড়ানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। সেই কাঁটা খোঁচা দেয়নি ঠিকই, তবে অশান্তি জিইয়ে রাখল বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। অশান্তি সত্বেও তৃণমূলে ফিরলেন সব্যসাচী দত্ত। তবে অশান্তি হওয়ায় এখনও কালীঘাটের দরজা খোলেনি বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। যা নিয়ে হতাশ রাজীব শিবির। পর্যবেক্ষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোট বেহাত হাওয়ার ভয়েই ফেরানো হয়নি রাজীবকে!
{link}
তৃণমূল ছেড়ে দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়। পরে তাঁর হাত ধরে আরও অনেকের মতো বিজেপির ছাতার তলায় গিয়ে আশ্রয় নেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্তও। এই সব্যসাচীকেই এদিন ফেরানো হয় তৃণমূলে। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে ফের দলবদল করেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র। তবে তাঁকে দলে ফেরাতে চাইছিলেন না দমদম ও বিধাননগর এলাকার নেতারা। তাঁদের বক্তব্য, ভালো কিছুর আশায় দল ছেড়েছিলেন সব্যসাচী। তৃণমূল ছাড়ার আগে দলকে নানাভাবে অপদস্থও করেছিলেন। তাই তাঁকে তৃণমূলে ফেরানো হবে না।
যদিও সব্যসাচীকে দলে ফেরাতে এক প্রকার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তাই কোনও কিছুই যাতে সব্যসাচীর তৃণমূলে ফেরার পথে বাধার প্রাচীর হয়ে না দাঁড়ায়, সেজন্য বার্তা পাঠানো হয় দলের তরফে। জোড়াফুল শিবিরের একটি সূত্রের খবর, ওই বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল সুজিত বসু এবং তাপস চট্টোপাধ্যায়কেও। এই বছরের শুরুতে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পর, সব্যসাচী দত্ত ছিলেন সেই নেতৃস্থানীয় নেতাদের একজন যিনি দলের কৌশলের সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেন, "বাইরে থেকে অনেক নেতা এখানে বিজেপির পক্ষে প্রচারণা করতে এসেছিলেন কিন্তু মানুষ একরকম তা মেনে নেয়নি।"
