Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

বেঁকে বসাই কাল, বিজেপিতে ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন শান্তনু ঠাকুর

Loading... রাজ্য
বেঁকে বসাই কাল, বিজেপিতে ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন শান্তনু ঠাকুর
#news #politics #Santanu Thakur #Matua Community #BJP #Bharatiya Janata Party #Committee #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

তবে কি বেঁকে বসাই কাল হল? বিজেপিতে ক্রমেই একা হয়ে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর! একে একে  তাঁর পাশ থেকে সরে যাচ্ছেন মতুয়া সম্প্রদায়ের নেতারাই! তাই এবার শান্তনুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার তোড়জোড় শুরু করে দিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যার ফলের রীতিমতো জল্পনার সূত্রপাত হয়েছে রাজ্য বিজেপির অন্দরে। কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে এই নিয়েই উঠছে আরও একাধিক প্রশ্ন।  


সম্প্রতি রদবদল হয়েছে বিজেপির রাজ্য কমিটিতে। তাতে মতুয়া সম্প্রদায়ের কোনও প্রতিনিধি নেই বলে অভিযোগ। যার জেরে বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান রাজ্যের মতুয়া সম্প্রদায়ের পাঁচ বিধায়ক। এর পরেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনুও। ভবিষ্যৎ রণকৌশল স্থির করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন শান্তনু। 

{link}
শান্তনুর উদ্যোগে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, অসীম সরকার, অশোক কীর্তনীয়া এবং মুকুটমণি অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের এক প্রতিনিধিও। এদিন বৈঠক শেষে মুকুটমণি জানান, কয়েকটি দাবি নিয়ে এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এগুলি হল, বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা ও নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পরিবর্তন, নবদ্বীপ জোনের পর্যবেক্ষক পরিবর্তন, মতুয়া সম্প্রদায়ভুক্ত একজনকে নিয়োগ করতে হবে রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি পদে। 


মতুয়া সম্প্রদায়ের যে নেতারা শান্তনুর ডাকা ওই বৈঠকে গিয়েছিলেন, তাঁরাই ক্রমে সরে যাচ্ছেন তাঁর পাশ থেকে। নাম না করে শান্তনুর বৈঠকের সমালোচনা করেছেন মতুয়া সম্প্রদায়েরই বিধায়ক জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, দলকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে। মতুয়াদের থেকে একাধিক বিধায়ক রয়েছেন। তিনি নিজে সাংসদ। এছাড়াও কেন্দ্রের তরফে সেই সম্প্রদায় থেকে মন্ত্রিও করা হয়েছে। 

{link}
মতুয়াদেরই দুটি গোষ্ঠী তৈরি হয়ে যাওয়ার শান্তনুর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। গেরুয়া শিবিরের একটি সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই সে প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। ঠিক কি পদক্ষেপ নেওয়া হতে চলেছে, সেই নিয়েই এখন বিস্তর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কারন এই বিষয়টি বর্তমানে রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। 

সর্বশেষ আপডেট: