Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 10/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

বিজেপি ছাড়তে চলেছেন শঙ্কুদেব পান্ডা, ফের দলবদলের জল্পনা

Loading... রাজ্য
বিজেপি ছাড়তে চলেছেন শঙ্কুদেব পান্ডা, ফের দলবদলের জল্পনা
#news #politics #Shankudeb Panda #BJP #TMC #BJP State Committee #Mukul Roy #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

ফের রাজ্য রাজনীতিতে দলবদলের সম্ভাবনা। বিজেপি ছাড়তে চলেছেন শঙ্কুদেব পন্ডা! অন্তত এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। জল্পনার কারণ শনিবার মধ্যরাতে রাজ্য বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন শঙ্কুদেব। রাজনীতির কারবারিদের মতে, শঙ্কু দ্রুত হাতে তুলে নেবেন জোড়াফুল আঁকা ঝান্ডা। সেই সম্ভাবনাই তৈরি হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। 


২০১৭ সালে পুজোর আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে দেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক মুকুল রায়। পুজোর পরে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। এর পরেই তৃণমূল ভাঙানোর খেলায় মাতেন মুকুল। মুকুল যাঁদের তৃণমূল থেকে ভাঙিয়ে বিজেপিতে নিয়ে এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন শঙ্কুদেব পন্ডা। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ শঙ্কুদেব যোগ দেন বিজেপিতে। তিনি যেদিন বিজেপিতে যোগ দেন, সেদিনই গেরুয়া খাতায় নাম লিখিয়েছিলেন বলিউড তারকা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও।  দিল্লিতে সদর দফতরে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন শঙ্কু। মূলত সংগঠনের কাজই দেখতেন তিনি। তবে ইদানিং বেশ কিছুদিন বিজেপির রাজ্য দফতরে দেখা যাচ্ছিল না শঙ্কুদেবকে। এমতাবস্থায় শনিবার মধ্যরাতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে হঠাতই বেরিয়ে যান তিনি। 

{link}
দিন কয়েক আগেই নয়া রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁকে যুব মোর্চার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ইন্দ্রনীল খাঁকে। আর সৌমিত্রকে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের সহ সভাপতির পদ। পুরানোদের গ্রুপ ছাড়তে না বলা সত্ত্বেও গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন শঙ্কুদেব।


দিন কয়েক আগেই বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যান পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। পরে গ্রুপ ছাড়েন বাঁকুড়া ও খড়্গপুরের দুই বিধায়ক এবং সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। সেই সময়ই গ্রুপ ছাড়লেন শঙ্কু। বিজেপির একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর, তৃণমূলের সঙ্গ কথাবার্তা পাকা হয়ে গিয়েছে শঙ্কুর। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে দিন কয়েকের মধ্যেই তিনি হাতে তুলে নেবেন জোড়াফুল আঁকা ঝান্ডা। কিন্তু এভাবে দলবদলের রাজনীতি করার পর কি আদৌ তার সেই পুরোনো রাজনৈতিক ভাবমূর্তি অক্ষত থাকবে? না হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারন এহেন পদক্ষেপের কারনে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতারও যে অবনতি ঘটে তা অস্বীকার করা কঠিন। 


 

সর্বশেষ আপডেট: