ফের একবার ধস নামতে চলেছে বিজেপিতে!এবার শিলিগুড়িতেও বড়োসড়ো ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠছে বলে সূত্রের খবর। কারন? কারন ঘরওয়াপসি হতে চলেছে গেরুয়া নেতা নান্টু পালের! ২১ জুলাইয়ের পর থেকে এই প্রশ্নটাই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। এর কারণও রয়েছে। বিজেপি নেতা হলেও এদিন নান্টু টিভিতে শুনেছেন তাঁর প্রাক্তন দলনেত্রীর ভাষণ। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই নান্টুর তৃণমূলে ফেরার জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছেও বাংলার রাজনৈতিক মহলে। যদিও এই ব্যাপারে এখনো কিছুই জানাননি তিনি।
২০০৪ সালে তৃণমূলে যোগ দেন নান্টু। তার পর থেকে শিলিগুড়িতে দলের এক নম্বর নেতা হয়ে ওঠেন তিনি। দক্ষ সংগঠক হওয়ায় দ্রুত আস্থা অর্জন করেন দলনেত্রীর। নেত্রী উত্তরবঙ্গে এলে নান্টুর বাড়িতেও যেতেন। এহেন নান্টু তৃণমূল ছেড়ে দেন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগে। টিকিট না পেয়ে পুরানো দলের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়ে দেন এই বিক্ষুব্ধ নেতা। তৃণমূল ছেড়ে নান্টু যোগ দেন বিজেপিতে। সেখানেও টিকিট দেওয়া হয়নি তাঁকে। তবে তৃণমূল প্রার্থীকে হারাতে চেষ্টার কসুর করেননি তিনি। লাগাতার প্রচারও করেছেন তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর আশার ফানুস চুপসে যায় তৃণমূলের। আরও অনেক দলবদলুর মতো মোহভঙ্গ হয় নান্টুরও।
{link}
ফি বছর একুশে জুলাই তৃণমূল নেত্রীর ভাষণ মন দিয়ে শোনেন নান্টু। এবারও শুনেছেন। তার পরেই তাঁর ঘরওয়াপসি নিয়ে ছড়ায় জল্পনা। তবে এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তৃণমূলের প্রাক্তনী। তিনি অবশ্য স্বীকার করেছেন মানুষের জন্য কাজ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এতোএব তিনিও দলবদলের দড়িতেই পা গলাতেই চাইছেন… তবে একটু ঘুরিয়ে।
তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে আবেদন করেছেন বেশ কয়েকজন দলবদলু। সেই তালিকায় ডোমজুড়ের প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছেন বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সোনালী গুহ সহ আরও অনেকেও। সেই তালিকায় নয়া সংযোজন কি নান্টু? প্রশ্নের উত্তর না জানা থাকলেও সম্ভাবনা নেহাত উড়িয়ে দেওয়ার সম্ভব হয়ে উঠছে না। এখন পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেটাই দেখার বিষয়।
