একুশের বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত পর্যুদস্ত হয়েছে বিজেপি। কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ দের মতে হেরে গিয়েও শিক্ষা হয়নি বিজেপির।ভবানীপুর উপনির্বাচনেও সম্প্রদায়িক তাসই হাতিয়ার বিজেপির! এমনটাই লক্ষ করা গেল ভবানীপুর উপনির্বাচনের প্রচারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির কথায়। সেখানেই কৌশলে খেললেন সাম্প্রদায়িক তাস।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে কার্যত পর্যুদস্ত হয়েছে বিজেপি। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিলেও, পেয়েছে তার মাত্র এক তৃতীয়াংশ। বাকি আসনগুলিতে জয়ী হয়েছে তৃণমূল। একটি আসনে জয় পেয়েছে আইএসএফ। কংগ্রেস এবং বামেরা এই নির্বাচনে ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে গিয়েছে। বিজেপির এই মুখ থুবড়ে পড়ার কারণ হিসেবে সাম্প্রদায়িকতার তাসকে দোষারোপ করেছেন গেরুয়া শিবিরেরই একাংশ। তাঁদের মতে, একটি রাজনৈতিক দলকে সর্বজনীন হয়ে উঠতে হলে কেবল হিন্দু কিংবা শুধু মুসলমানের হয়ে উঠলে হবে না। দলটির সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পাওয়া দরকার। কিন্তু একুশের ভোটে তা হয়নি বলেই অভিযোগ।
{link}
তবে বিজেপি যে তার ঘোষিত অবস্থান থেকে এক পা-ও নড়েনি, স্মৃতির কথাই তার প্রমাণ। শুক্রবার আইসিসিআর-এ গুজরাটি ও মাড়ওয়াড়ি বাসিন্দাদের একাংশের সঙ্গে বৈঠক করেন স্মৃতি। সেখানেই বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা এখানে এসেছেন, এটাই আমাদের কাছে বড় পাওনা। আমরা ধরে নিচ্ছি, আপনারা বিজেপিকে সমর্থন করেন বলেই এখানে এসেছেন। আপনারা ৪০ শতাংশ। কিন্তু অনেক সময় ২০ শতাংশ ভোটারের ভোটদানের প্রক্রিয়া এমন হয় যাতে ৪০ শতাংশের পক্ষে অসুবিধাজনক হয়ে যায়। সুতরাং, আপনারা ভোটের দিন ভোটটা দিতে বাড়ি থেকে বেরোবেন, এই অনুরোধ। ২০ শতাংশ বলতে স্মৃতি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কেই বুঝিয়েছেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।
{link}
৩০ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচন হবে ভবানীপুরে।তিবরেওয়াল দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এদিন প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওালের হয়ে প্রছার করতে আসেন ভবানীপুরে। সেখানে তিনি আরও বলেন তৃণমূল কংগ্রেস ভবানীপুর উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়ালকে বহিরাগত বলে দাবি করে, যে এটি শতাব্দী ধরে কলকাতায় বসবাসকারী মারওয়াড়ি মহিলাদের জন্য অপমানজনক।
