বাংলার খেলা শেষ। এবার লক্ষ্য দিল্লি। এবার খেলা হবে দিল্লির জন্য। এবার হুঙ্কার দিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অথবা একইভাবে বলা চলে বাংলার বুকে তৃণমূলের দূর্দন্ডপ্রতাপ নেতা কেষ্টদা। বীরভূমের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে খেলা হবে আওয়াজ তোলেন অনুব্রত। তার পর সেটাই হয়ে ওঠে তৃণমূলের প্রচারের হাতিয়ার। শব্দবন্ধটি এতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে আট থেকে আশি সবার মুখে মুখে ফিরতে শুরু করে। খেলা হবে নিয়ে গানও বাঁধা হয়। পাড়ার মোড়ে মোড়ে মাইকে বাজতে থাকে সেই গান। খেলা হবে এই অস্ত্রেই বধ হয় বিজেপি। ২০০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হলেও, মাত্র এক তৃতীয়াংশ আসন পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় গেরুয়া শিবিরকে। খেলা হবে স্লোগানেই যেহেতু বাজিমাত হয়েছে, তাই ১৬ই অগষ্ট খেলা হবে দিবস পালন করে তৃণমূল। যদিও এই স্লোগান বিখ্যাত হওয়ার পিছনে তৃণমূলের যুব নেতা দেবাংশুরও একটা বড়ো ভূমিকা ছিল।
{link}
ত্রিপুরা জয়েও খেলা হবে স্লোগান হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। এবার তাই দিল্লি দখলেও এই স্লোগানকে হাতিয়ার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলই একথা জানান। তিনি বলেন, এবার খেলা হবে দিল্লিতে। ২০২৪ সালে দেশে সাধারণ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে বিজেপিকে দিল্লি থেকে হঠাতে বিরোধী ঐক্যে শান দিতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের তরফে ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে গিয়ে দৌত্য করেন দিল্লিতে। পরে খোদ তৃণমূল নেত্রী গিয়ে দরবার করেন দিল্লিতে। বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধি। তাই ফের খেলা হবে স্লোগানকে হাতিয়ার করে দিল্লি দখল করা হবে বলে মনে করেন বীরভূমের কেষ্টদা।
বর্তমানে সামনে তৃণমূলের লক্ষ্য দুটি প্রথম পড়শি রাজ্য ত্রিপুরা জয় ও দ্বিতীয় লক্ষ্য কেন্দ্র অর্থাৎ দিল্লিজয়। একুশের ভোটে বিজেপিকে রাজ্যে ভরাডুবি খাওয়ানোর কারনে এমনিতেই কেন্দ্রে জনপ্রিয়তা ও গুরুত্ব দুইই বেড়েছে। ২৪-এ খেলা কেন্দ্রে হবেই, তাতে লড়াইও হবে জমাটি… কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঘাসফুল ফুঁটবে কিনা তাই দেখার বিষয়।
