উপনির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ক্রমেই আসন্ন লড়াইকে ঘিরে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। তবে এবার এক বড়ো ঘোষনা করল আইএসএফ। আলাদা প্রার্থী নয়, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বাম প্রার্থীর সমর্থনেই প্রচার করতে পারেন ফুরফুরার পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির এই দল। ওই দলের এক মাত্র বিধায়ক প্রচারে নামতে পারেন বাম প্রার্থীর হয়ে। তবে তিনি ঠিক কবে প্রচারে নামবেন বা আদৌ নামবেন কিনা, তা ঠিক হবে দলীয় বৈঠকে। তবে আইএসএফ বিধায়ক প্রচারে নামবেন বলেই আশাবাদী বামেরা। কারন একুশে জোটের ভরাডুবি হলেও সম্পর্কে এখনও ফাটল ধরেনি এই দুই দলের।
{link}
ভবানীপুরে সংযুক্ত মোর্চার তরফে প্রার্থী দেওয়ার কথা কংগ্রেসের। তবে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশের জেরে ওই কেন্দ্রে এবার প্রার্থী দিচ্ছে না কংগ্রেস। তাই প্রার্থী দিচ্ছে সিপিএম। প্রার্থী হচ্ছেন তরুণ আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস। এমন সম্ভাবনাওই ক্রমশ জোরালো হয়ে উঠছে। সিপিএমের এই প্রার্থীর হয়েই প্রচারে আসতে পারেন আব্বাসের দল আইএসএফের বিধায়ক। বাম-কংগ্রেসের জোটে শামিল হয়েছিল এই দল। রাজ্যের ২৯২টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছিল বাম-কংগ্রেস-আইএসএফের সংযুক্ত মোর্চা। তবে একমাত্র সাফল্যের মুখ দেখেছে ভাঙড়ে। সেখানে জয়ী হয়েছেন আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকি। বাম প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে আসতে পারেন তিনি। তবে আদৌ তিনি আসবেন কিনা, তা ঠিক হবে আইএসএফের রাজ্য কমিটির বৈঠকে। এক সিপিএম নেতার কথায়, নওশাদ তো ভাঙড়ে বামেদের সমর্থন পেয়েই জয়ী হয়েছিল। বিধানসভায় তিনিই সংযুক্ত মোর্চার একমাত্র প্রতিনিধি। তাই ভবানীপুর সহ উপনির্বাচনে তাঁর সমর্থন যে বামফ্রন্ট প্রার্থীর দিকেই থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক।
{link}
সবদিক বিচার করেই একথা স্পষ্ট যে ভবানীপুর অনেকটাই শক্তিশালী কেন্দ্র ঘাসফুল শিবির ও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এই কেন্দ্রটিই একসময় অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র ছিল বামেদের কাছেও। ভবানীপুরে উপনির্বাচনে চমকে দিয়ে একটা বিপর্যয় ঘটিয়ে কি জয়ী হতে পারবেন সিপিআইএম-এর প্রার্থী?
