স্বপ্ন দেখলেও ত্রিপুরায় প্রভাব বিস্তার করার স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়ে ওঠেনি। যার ফলে শুরুতেই জোর ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় স্তরে দলকে প্রতিষ্ঠিত করার স্বপ্ন। রইল বাকি পড়ে আর দুই রাজ্য মেঘালয় এবং গোয়া। এই গোয়া দখলের লক্ষ্যেই এখন মরিয়া তৃণমূল! আরব সাগরের তীরের এই ছোট্ট রাজ্যের রশি করায়ত্ত করতে মরিয়া জোড়াফুল শিবির। সেই কারণেই নেওয়া হচ্ছে একাধিক পদক্ষেপ। গোয়াবাসীর মন জয় করতে সম্প্রতি নয়া গানের টিজার লঞ্চ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। টিজারের নাম দো ফুলঞ্চ কাল। বাংলায় তর্জমা করলে দাঁড়ায় দুই ফুলের যুগ।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক সাফল্য পায় তৃণমূল। তার পরেই গোটা দেশে সংগঠন বিস্তারে উদ্যোগী হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। সেই মতো ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্বের বিভিন্ন রাজ্য এবং সৈকত রাজ্য গোয়ার দিকে শ্যেন দৃষ্টি দেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই দুবার গোয়া সফর করেছেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো। দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়া ঘুরে গিয়েছেন বেশ কয়েকবার। গোয়ার মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পাশাপাশি সাংসদ সুস্মিতা দেব ও প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। তিনি কো-ইনচার্জ হয়ে গোয়ায় এসেছেন। বাংলার মতো গোয়ায়ও মহিলা ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এ রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ফি মাসে পাঁচশো করে টাকা দেওয়া হয়। গোয়ায় এই ধরণেরই প্রকল্প চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। গোয়ায় ক্ষমতায় এলে গৃহলক্ষ্মী প্রকল্প চালুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে মহিলারা মাসে পাঁচ হাজার করে টাকা পাবেন।
{link}
ছাত্রছাত্রীদের জন্য যুবশক্তি কার্ড নিয়ে আসা হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষে প্রচারে ঝড় তুলতে গান বাঁধা হয়েছে। দুই ফুলের যুগ নামের সেই টিজার প্রকাশ করার কথা দলের কোনও শীর্ষ নেতৃত্বের। গোয়ায় নভি সকাল স্লোগান হিট করেছে। এখন দেখার, দো ফুলঞ্চ কাল হিট করে কিনা! কিন্তু যেভাবেই হোক গোয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া তৃণমূল। কারন গোয়াতেও জোড়া ফুল অন্তত কুঁড়ি বিস্তার করতে সক্ষম না হলে জোর ধাক্কা খাবে দিল্লি জয়ের স্বপ্ন।
{ads}