রাজ্যে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে বাড়তে থাকা কোভিড গ্রাফ। যে পরিস্থিতি রীতিমতো চিন্তায় ফেলে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন সহ সাধারন মানুষকেও। করোনার এই বাড়বাড়ন্তের জন্য রাজ্য সরকারকেই দুষলেন বিজেপি নেতা সৌমিত্র খাঁ। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, খেলা, মেলা, উৎসব করার জেরে এই রাজ্যে করোনা বৃদ্ধি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরসভা নির্বাচন করানো উচিত নয় বলেও মতামত দিয়েছেন তিনি।
{link}
চলতি মাসের ২২ তারিখে আসানসোল, শিলিগুড়ি, বিধাননগর এবং চন্দননগর পুরনিগমের ভোট। এই ভোটপর্ব মেটার পরে ফেব্রুয়ারির শেষাশেষি হতে পারে রাজ্যে বকেয়া ১০৮টি পুরসভার ভোট। এর মধ্যে রয়েছে বাঁকুড়ার তিন পুরসভাও। অথচ দ্রুত বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এমতাবস্থায় ভোট পিছানোর দাবি জানান বিজেপি নেতারা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে সাংসদ বিজেপি সৌমিত্র বলেন, খেলা, মেলা, উৎসব করার জেরে এই রাজ্যে করোনা বৃদ্ধি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরসভা নির্বাচন করানো উচিত নয়। চার-পাঁচ মাস পরে করোনার প্রকোপ কমলে পুরসভা নির্বাচন করা হোক। এই সময়ই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি হাত জোড় করে তিনি আবেদন করেন। তিনি বলেন, বাংলার মানুষকে বিপদের মধ্যে ঠেলে দেবেন না।
{link}
রাজ্যে করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন সৌমিত্র। তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বরের আগে আর বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। রাজ্যে পুরসভাগুলির বেশিরভাগেরই আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। যেগুলির পরিচালনা করছে তৃণমূলের লোকেরাই। তাই যদি চার থেকে পাঁচ মাস পরে নির্বাচন করা হয়, তাহলে কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ কমার পরেই নির্বাচন করানোর পক্ষপাতী সৌমিত্র। যদিও নির্ধারিত ঘোষনা অনুযাই পূর্ব ঘোষিত দিনক্ষণ অনুযাই যে নির্বাচন হতে চলেছে তা কিন্তু নিশ্চিত। কিন্ত রাজ্যের কোভিড গ্রাফও যে বিপুল আতঙ্কদায়ক তাও স্পষ্ট। পরিস্থিতি কোন দিকে অগ্রসর হতে চলেছে, তা আন্দাজ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে।
