দাপটের সাথে টুইটে যুদ্ধ চালিয়েছিলেন রাজ্যপালের সাথে। আরও অনেক দক্ষতা রয়েছে ওনার, তিনি বলিয়ে কইয়ে। ইংরেজি বলেন ঝরঝরে। সংসদীয় রাজনীতির অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। আরব সাগর তীরের ছোট্ট রাজ্য গোয়া জয়ে এহেন মহুয়া মৈত্রকেই দায়িত্ব দিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁকে এই দায়িত্ব দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল। এর পরেই উত্তর পূর্বের ত্রিপুরা ও আরব সাগর তীরের ছোট্ট রাজ্য গোয়া দখলে ঝাঁপিয়ে পড়েন তৃণমূল নেতৃত্ব। সেখানে ঘাঁটি গেড়ে রয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তৃণমূলের ডেরেক ও ব্রায়েন। পরে গোয়া পাঠানো হয়েছিল বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বাবুল সুপ্রিয়কে।
{link}
এর ঢের আগে গোয়ার পরিস্থিতি বুঝতে গিয়েছিল ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকের সংস্থা আইপ্যাক। আইপ্যাক যখন গোয়ায়, তখনই ডেরেককে সেখানে পাঠিয়ে দেন তৃণমূল নেতৃত্ব। ডেরেক ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের। ইংরেজি বলেন সাবলীলভাবে। তাই তাঁকে পাঠানো হয়েছে। এবার দায়িত্ব দেওয়া হল মহুয়াকে। এক সময় কংগ্রেস করলেও, পরে যোগ দেন তৃণমূলে। তার পরেই জোড়াফুল শিবিরে গুরুত্ব পেতে থাকেন মহুয়া। এহেন মহুয়াকেই গোয়ার ভোট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
{link}
মহুয়াকে যে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, তার ইঙ্গিত ছিলই। তৃণমূল নেত্রীর গোয়া সফরের আগেই গোয়া সমুদ্র তীরে রহস্যজনকভাবে মৃত তরুণীর বাড়িতে যায় তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। সেই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মহুয়া। সেখান থেকে বেরিয়ে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন মহুয়া। গোয়ার বাসিন্দাদের একটা বড় অংশই খ্রিষ্টান। ইংরেজি বলেন। তাই গোয়ার ভোট পরিচালনার দায়িত্ব মহুয়ার ঘাড়ে দিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব যে বেশ খানিকটা নিশ্চিন্ত হলেন, তা বলাই বাহুল্য। এবার মহুয়া গোয়ায় গিয়ে ঘাসফুল ফুঁটিয়ে তুলতে সক্ষম হন কি না, সেটাই দেখার অপেক্ষায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।
{ads}