রাজ্যে দিলীপ-মমতা বাগযুদ্ধ অব্যাহত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন যা চাইছেন তা হল প্রমোশন। সেই দিক থেকেই কটাক্ষ করে রাজ্যের বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, কিন্তু মানুষ ওঁকে হারিয়ে দিয়েছেন, এটা ওঁর বোঝা উচিত। চিরাচরিত স্বভাব মতোই গতকাল, রবিবার তৃণমূল নেত্রী সম্পর্কে এই মন্তব্যই করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। পূর্বের ঘোষনা মতোই বুধবার দিল্লিতে বিজেপি-বিরোধী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রসঙ্গেই এদিন এই মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলে সূত্রের খবর।
বিজেপি-বিরোধী ঐক্য শক্তিশালী করতে সোমবার দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি যে এদিন দিল্লি যাবেন, সেকথা মমতা ঘোষণা করেছিলেন একুশে জুলাইয়ের মঞ্চেই। সেই মতো এবার দিল্লি যাত্রা তাঁর। একইভাবে দিল্লিতে বুধবার বেলা ১২টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন মমতা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের একাংশের মতে এটা মূলত সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ। পরে বৈঠক করবেন বিজেপি-বিরোধী নেতাদের সঙ্গে। ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম, প্রবীণ এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার সহ বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের নেতার।
{link}
এই প্রসঙ্গেই এদিন ইকোপার্কে দিলীপ বলেন, মুখ তৈরি করা পশ্চিমবঙ্গের একটা বাতিক। জ্যোতিবাবুকেও মুখ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। উনি চলে গিয়েছেন। সিপিএম, সিপিআই এখন শেষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন প্রমোশন চাইছেন। কিন্তু মানুষ ওঁকে হারিয়ে দিয়েছেন, এটা ওঁর বোঝা উচিত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন,২০১৯ সালেও উনি একবার এমন চেষ্টা করেছিলেন। ব্রিগেডে জনসভা করেছিলেন। তাতে ফল কী হয়েছে? এবারও বুঝতে পেরেছেন যে বাকি বিরোধীরা সবাই তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। ওঁর পার্টিতে খুনোখুনি শুরু হয়ে গিয়েছে। ২০২৪এ ভোটে লড়তে পারবেন কি না সন্দেহ আছে!
রাজ্য রাজনীতিতে হলেও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে বরাবরই অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রাত্য থেকেছেন বাংলার রাজনীতিবিদরা। যার প্রমান দেখা গিয়েছিল জ্যোতি বসুর সময়েরও। এখন একুশের এই লড়াইয়ের পর চব্বিশে সেই ধারার পরিবর্তন কি ঘটাতে পারবেন তৃণমূলের রাজ্যের প্রধান মুখ? তা হলে রাজ্যের দায়িত্বেই বা কে আসবে? এহেন একাধিক প্রশ্ন এখন দানা বাঁধছে রাজ্যবাসী সহ দেশবাসীর মনে?
.jpeg)
