ফের বিড়ম্বনার সম্মুখীন তৃণমূল। সরকারি জমি দখল করার কারনে কাঠগড়ায় তৃণমূল বিধায়ক। জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের সুখানি এলাকায় তৈরি হয়েছে ওই অফিস, যা নিয়ে বঙ্গের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিতর্ক। সরকারি জমি দখল করে একজন বিধায়কের এহেন আচরণে যারপরনাই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন ওই এলাকার জেলা সভাধিপতি।
{link}
সুখানি এলাকার রাজগঞ্জ বাজারে কার্যালয় তৈরি করেছেন বিধায়ক তৃণমূলের খগেশ্বর রায়। সূত্রের খবর, এই অফিসে সপ্তাহে তিনদিন বসবেন বিধায়ক। বাকি দিনগুলিতে উপস্থিত থাকবেন দলের নেতাকর্মীরা। বিধায়কের এই কার্যালয় উদ্বোধন হয় ঘটা করে। এবং এই উদ্বোধনের পর থেকেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি দেবব্রত নাগ বলেন, আমরা জানি জায়গাটি ডাকবাংলো জেলা পরিষদের। মহেন্দ্রকুমার রায় সাংসদ থাকাকালীন এখানে মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা। কোনও কারণে মার্কেট কমপ্লেক্স আর তৈরি হয়নি। জায়গাটি দখল করেছে তৃণমূল। গড়ে তুলেছে দলীয় কার্যালয়। যদিও এই প্রসঙ্গে সরকারি জায়গা দখলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন খগেশ্বর। তিনি বলেন, জায়গাটি জেলা পরিষদের নয়, পিডাব্লুডিরও নয়, বেসরকারি জায়গা। জেলা পরিষদের জায়গা হলে কার্যালয় ভেঙে দেওয়া হবে। একই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মণ বলেন, অভিযোগ কানে এসেছে। ওই এলাকায় জেলা পরিষদের প্রচুর জায়গা রয়েছে। বিতর্কিত জমিটি কার, তা খতিয়ে দেখা হবে।
{link}
সরকারি জমি দখল করে ডুয়ার্সের চামুর্চি এলাকায় অবৈধ মার্কেট কমপ্লেক্স নির্মাণের অভিযোগ উঠেছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার বিরুদ্ধে। যিনি এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। পৃথম উত্তরবঙ্গের দাবি তুলে এখন রাজ্যে তিনি বিতর্কের চূড়ায়। এবার তারই মতো একইভাবে জমি দখল করার অভিযোগে কাঠগড়ায় রাজ্যের শাসকদল।
