Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

চপ শিল্পের পর এবার কাশ শিল্প! বেকারত্ব দূরীকরণে নয়া নিদান মুখ্যমন্ত্রীর

Loading... রাজ্য
চপ শিল্পের পর এবার কাশ শিল্প! বেকারত্ব দূরীকরণে নয়া নিদান মুখ্যমন্ত্রীর
#news #politics #TMC #BJP #Mamata Banerjee #Trinamool Congress #Kashful #Industry #Chop #West Bengal #India #রাজনীতি #সংবাদ

পশ্চিমবঙ্গে ফের নয়া শিল্পের পরিকল্পনা মুখ্যমন্ত্রীর। পূর্বের চপ শিল্পের পর এবার নয়া পরিকল্পনায় কাশ শিল্প! বেকারত্ব দূরীকরণে নয়া নিদান মুখ্যমন্ত্রীর! আশ্বিনের শুরুতে মাঠেঘাটে ফোটে নিতান্তই অপাঙক্তেয় এই ফুল। যে ফুল পুজোর সময় মানুষের মনে পুজোর স্বাদপ্রদান এবং তার পাশাপশি ছবি তোলার উপকরন ব্যাতীত আর কিছুই নয়। সেই ফুল দিয়েই বালিশ, বালাপোশ তৈরি করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। হাওড়ার প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত লোকজনকেই মঞ্চে বসে প্রকাশ্যে এই কথা বলেছেন তিনি।

{link}
এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন কাজের খতিয়ান দেখেন। তারপর আলোচনা করেন শিল্প-সম্ভাবনা নিয়ে। বাংলায় তিনি কী করতে চলেছেন, তার ফিরিস্তি দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলা ডেয়ারি করছি। এর পরেই মাঠে-ঘাটে ফুটে থাকা কাশফুলকে কোনও শিল্পের কাজে লাগানো যায় কিনা তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভাবতে বলেন উপস্থিত প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের। আমলাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কেমিক্যাল দিয়ে রিসার্চের ব্যাপার আছে কিনা জানি না। তবে কাজে লাগতে পারে। তিনি বলেন, এগুলো সময়ে হয়, সময়ে ঝরে যায়। কিন্তু এগুলো দিয়ে বালাপোশ, বালিশ হতে পারে। যাঁদের সামর্থ্য আছে, তাঁরা প্রচুর পয়সা দিয়ে কিনবেন।


এই সময় মুখ্যমন্ত্রীকে কেউ একজন বলেন, উলুবেড়িয়ায় একাধিক ক্লাস্টার রয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস্টার হল শাটল কক ক্লাস্টার। ওই ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রীকে জানান,  এই শাটল কক উলুবেড়িয়া ছাড়া ভারতের আর কোথাও তৈরি হয় না। এই কক তৈরির জন্য দরকার প্রচুর হাঁসের পালক। বিষয়টি লুফে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গুড আইডিয়া। তোমরা তো এখন হাঁসের পোলট্রি করছো। এখন তো গ্রামে-গঞ্জে হাঁস আছে। সেখান থেকে হাঁসের পালক সংগ্রহ করতে বল। পরে এক আমলার দিকে তাকিয়ে রসিকতা করে মমতা বলেন, এবার তাহলে দুয়ারে হাঁসের পালক!

{link}
কাশ শিল্প গড়ে তুলতে মুখ্যমন্ত্রী যে ভীষণ আগ্রহী, তার প্রমাণ মিলেছে এদিনও। তিনি বলেন, এই কাশফুল ফোটে। তারপর উড়ে চলে যায়। কোনও কাজে লাগে না। কাজে লাগাতে পারলে বালিশ, বালাপোশ হতে পারে। যাঁদের টাকা আছে, তাঁরা কিনবেন। 


একসময় বেকারত্ব দূরীকরণে চপ শিল্পের কথা বলে বিরোধীদের নিশানা হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার তিনি মাঠে-ঘাটে, জমির আলে, নদীর পাড়ে ফোটা কাশ শিল্পের কথা বলে ফের একবার বিরোধীদের আক্রমণের শিকার হলেন তিনি। বিজেপির এক নেতার কথায়, যেখানে শিল্প নেই, সেখানেই এই শিল্পই করতে হবে! উল্লেখযোগ্যভাবে এই বিষয়কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বঙ্গ রাজনীতিতে রসিকতার পাশাপাশি বাগযুদ্ধও কিছুটা শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত এই শিল্প পরিকল্পনাও ভবিষ্যতে বাস্তব হয়ে ওঠে নাকি তা চপ শিল্পের মতো মানুষের রসিকতার বিষয় হয়ে ওঠে তাই দেখার বিষয়। 

সর্বশেষ আপডেট: