আসন্ন সময়ে রাজ্যে বিরোধী শিবির বিজেপির হাতছাড়া আরও একটি পঞ্চায়েত। সেহেন সম্ভাবনাই প্রবলভাবে দেখা দিয়েছে পুরুলিয়ায়। পুরুলিয়ার আনাড়া পঞ্চায়েতের প্রধান সহ বিজেপির মোট তিন সদস্য যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। যারফলে স্বাভাবিকভাবেই পঞ্চায়েতের রাশ হল হাতবদল। পদ্মফুলের যায়গায় সেখানে এবার ঘাসফুলের দাপট।
{link}
এদিন কাশীপুরে তৃণমূল কার্যালয়ে আনাড়া পঞ্চায়েতের প্রধান জ্যোতি লায়েক এবং অন্য দুই সদস্য তৃণমূলে যোগ দেন। তাঁদের হাতে ঘাসফুলের পতাকা তুলে দেন জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া। এই তিন সদস্যকে নিয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭।
{link}
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মুখ থুবড়ে পড়ার পরেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়ে যায়। ভোটের আগে যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে ভিড়েছিলেন ভোটের পরে তারাই ফিরছেন তৃণমূলে। পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, বিজেপিতে থেকে মানুষ ও এলাকার উন্নয়নের কাজ করা যাচ্ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। তিনি বলেন, আমি গ্রামের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। মমতার নীতি ও আদর্শ মেনে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে স্বেচ্ছায় আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। যদিও বিজেপির দাবি, পঞ্চায়েত প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে ভয় দেখিয়ে এই কাজ করা হয়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। প্রসঙ্গত, আনাড়া পঞ্চায়েতের ১৬টি আসনের মধ্যে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৩টি আসনে জয় পেয়েছিল বিজেপি। তৃণমূল পেয়েছিল দুটি আসন। একটি আসনে জয়লাভ করেছিল সিপিএম। এই দলবদলের পর যে চিত্রটা অনেকটাই পরিবর্তিত হল সে কথাও স্পষ্ট। রাজ্যে জয়লাভ করার পর একাধিক যায়গায় এহেন চিত্রই দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রাজ্যে রাজনৈতিক মহলে এখন স্বর্নযুগ চলছে তৃণমূলের।

