Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

উপনির্বাচনের চিত্রে কেন এহেন পরিবর্তন শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে?

Loading... রাজ্য
উপনির্বাচনের চিত্রে কেন এহেন পরিবর্তন শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে?
#news #politics #TMC #BJP #Shantipur #By election #Mamata Banerjee #Matua #West Bengal #election #India #রাজনীতি #সংবাদ

বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের ফল প্রকাশের পর তা গিয়েছিল বিজেপির পক্ষে। জয়ী হয়েছিলেন পদ্ম প্রার্থী, কিন্তু উপনির্বাচন হতেই পাল্টে গেল ছবি। পদ্মফুলের যায়গায় জয়ী হল রাজ্যের শাসক শিবির, বাতাসে উড়ল সবুজ আবির। কিন্তু কেন চিত্রে এহেন পরিবর্তন হল শান্তিপুর বিধানসভা কেন্দ্রে? ওয়াকিবহাল মহলের মতে মতুয়ারা ভোল বদল করতেই এক লহমায় বদলে গিয়েছে শান্তিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের ফল। মাস কয়েক আগেই যে কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন হাজার ষোলো ভোটে, উপনির্বাচনে সেখানেই দুরমুশ হয়ে গিয়েছে বিজেপি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মতুয়ারা গেরুয়া শিবিরের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেই ফল গিয়েছে বদলে। 

{link}
এ রাজ্য তো বটেই গোটা দেশের আরও কয়েকটি রাজ্য মতুয়া ভোট বড় ফ্যাক্টর। এ রাজ্যের অন্তত ৭০টি কেন্দ্রে প্রার্থীর ভাগ্যবিধাতা মতুয়ারা। তাই মতুয়াদের তুষ্ট করতে চেষ্টার কসুর করেন না কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরাই। বাম জমানায় মতুয়া ভোট যেতে লালপার্টিতে। রাজ্যে পালাবদলের পর ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ির রাশ চলে যায় তৃণমূলের হাতে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর সেই রশিই করায়ত্ত করে ফেলেছে বিজেপি। মতুয়া সম্প্রদায়ের ভরকেন্দ্র ঠাকুরবাড়ির সদস্য শান্তনু ঠাকুরকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে মোদির মন্ত্রিসভায়। 


একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই মতুয়া ভোটের একটা বড় অংশই গিয়েছিল বিজেপির অনুকূলে। শান্তিপুরের ভোটারদের একটা বড় অংশই মতুয়া সম্প্রদায়ের। একুশের ভোটে সেই ভোটের সিংহভাগই পড়েছিল জগন্নাথ সরকারের পক্ষে। যার জেরে ওই কেন্দ্রে জগন্নাথ জয়ী হয়েছিলেন প্রায় ১৬ হাজার ভোটে। জগন্নাথ বিধায়ক পদ গ্রহণ না করায় হয় উপনির্বাচন। উপনির্বাচনে পদ্ম প্রার্থী হন নিরঞ্জন বিশ্বাস। তাঁর প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন তৃণমূলের ব্রজকিশোর গোস্বামী। ৬৪ হাজার ৬৭৫ ভোটে জয়ী হন ব্রজকিশোর। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জগন্নাথ মতুয়াদের সমর্থন পেলেও, নিরঞ্জন পাননি। তার জেরেই শান্তিপুরে মুখ থুবড়ে পড়েছে বিজেপি। 

{link}
নির্বাচনে জয়ী হওয়া দুটি আসনও উপনির্বাচনে হারিয়েছে বিজেপি। কমেছে শক্তি, কিন্তু অন্যদিকে নিজেদের জয়ের বহর আরও কিছুটা বাড়িয়ে নিয়েছে ঘাসফুল শিবির। যার ফলে উপনির্বাচনের পর কার্যত আরও কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে পদ্মের শিবির। এই হারের ক্ষত সারাতে বিজেপির কতদিন লাগবে, সেই গবেষনাই এখন করতে বসেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বেরা। উত্তর কি মিলবে? কে জানে!

সর্বশেষ আপডেট: