আর বাগযুদ্ধ নয়, এবার সোজাসুজি নবান্নের লক্ষ্যে লড়াই শুরু শুভেন্দুর। ওই ১৪ তলাকে নড়াতে হবে। না নড়লে আমার অন্নদাতা কৃষকরা বাঁচবেন না। সিঙ্গুরে বিজেপির ধরনা মঞ্চ থেকে এ কথাই জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারি। কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দুদিন ধরে পায়ে হেঁটে মুড়ি খেয়ে সিঙ্গুর থেকে নবান্নের পথে যান। অর্থাৎ এবার লড়াই হবে ময়দানে নবান্নকে ঘিরেই, এই বার্তাই স্পষ্ট ইঙ্গিতের মাধ্যমে বোঝাতে চাইছেন তিনি।
এক দশকেরও বেশি আগে সিঙ্গুরের গোপালনগরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই গোপালনগরেই ধরণা কর্মসূচি পালন করছেন বিজেপির কিষান মোর্চার সদস্যরা। কৃষকদের অবহেলার প্রতিবাদেই পালিত হচ্ছে কর্মসূচি। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এই অবস্থান-বিক্ষোভে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার কিষান প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন। বিজেপির নয়া রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ দলের একাধিক নেতৃত্বও যোগ দিয়েছেন দলের শাখা সংগঠনের ডাকা ওই কর্মসূচিতে।
{link}
কৃষক আন্দোলনের তীব্র ঝাঁঝ যাতে নবান্নে পড়ে, সেই পথও বাতলে দিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ওই ১৪ তলাকে নড়াতে হবে। না নড়লে আমার অন্নদাতা কৃষকরা বাঁচবেন না। কৃষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দুদিন ধরে পায়ে হেঁটে মুড়ি খেয়ে সিঙ্গুর থেকে নবান্নের পথে যান। ধরনা মঞ্চ থেকে রাজ্য সভাপতির উদ্দেশ্য তিনি বলেন, আপনার কাছে অনুরোধ করব সব বাধা কাটিয়ে নবান্ন অভিযান করতে। সিঙ্গুর থেকে নবান্ন অভিযান হোক। আমরা জানি, সাঁতরাগাছিতে আটকাবে। কিন্তু আমরা থামব না। কৃষকরা কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত বলেও অভিযোগ তাঁর।
জমি আন্দোলনকে আঁকড়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছিলেন বামেরা। জমিকে ঘিরেই দিল্লি সীমানার সিঙ্ঘুতে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন কৃষকরা। জমি আন্দোলনই নবান্নের তখতে বসিয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এমনকি সম্পূর্ন দাপটে থাকা বিজেপির শাসক শিবিরও বিল প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এই কৃষক আন্দোলনের দাপটেই। সেই কারনেই কৃষক আন্দোলনকে ভিত্তি করে রাজ্যে এগিয়ে যেতে চাইছেন শুভেন্দু?
