একাধিক দলবদলের মধ্যে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের দলবদলের হাওয়া বওয়ার সময় দলবদলের হাওয়ায় নাকি দলবদদল করেছিলেন তিনিও। সেই তিনিই আবার এখন তা অস্বীকারও করছেন। যিনি দলেই নেই, তাঁকেই পুরভোটের জন্য গঠিত কমিটিতে রেখে বিড়ম্বনায় বিজেপি! যদিও বিজেপির দাবি, বাণী সিংহ রায় নামে ওই ‘তৃণমূল নেতা’যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। আর বাণীর দাবি, তিনি তৃণমূলেই ছিলেন, তৃণমূলেই রয়েছেন।
{link}
হাওড়া ও কলকাতা পুরসভার ভোটের কমিটি গড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। হাওড়ার জন্য গঠিত কমিটিতে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান নেতা বাণী সিংহ রায়কে। এটাই বিজেপির বিড়ম্বনার কারণ। বাণীর দাবি, তাঁর সঙ্গে কমিটি নিয়ে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের কোনও আলোচনাই হয়নি। তাঁকে জানানোও হয়নি। তাঁর স্ত্রী প্রয়াত হয়েছেন। বাণী বলেন, আমি নিজেও হাসপাতালে ছিলাম। বিজেপির কোনও নেতাই সেই সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। সেই সময় খোঁজ নিয়েছেন তৃণমূল নেতা ডাঃ শান্তনু সেন। এর পরেই বাণী বলেন, আমার দল তৃণমূল কংগ্রেস। অসুস্থ থাকায় তৃণমূলের নির্বাচনী কার্যালয়ে যেতে পারিনি।
যদিও বিজেপির দাবি, শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওড়ার এক সভায় বিজেপিতে যোগ দেন বাণী। সে খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও প্রকাশিত হয়। হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ বাণী সেই সময় শুভেন্দুকে জননেতা বলেও উল্লেখ করেছিলেন। নিশানা করেছিলেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোরকেও। বলেছিলেন, উনি বাংলার সংস্কৃতি জানেন না। কোনও সংস্থাকে দিয়ে বাংলার ভোটে জেতা যায় না।
{link}
যদিও বাণীর দাবি, হাওড়ায় স্মৃতি ইরানীর সভায় তিনি গিয়েছিলেন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে। যদিও বিজেপিতে যোগ দেননি। তিনি বলেন, মেয়র পারিষদ থাকায় তাঁর নাম ভাসিয়ে দিয়েছে বিজেপি। হায়রে রাজনীতি, আর কি কি দেখতে হবে! এখন অনেকটা এরকমই প্রতিক্রিয়া জেলার মানুষজনের।
