শুধুমাত্র রাজ্য নয়, এবার লক্ষ্য কেন্দ্রীয় স্তরেও দলকে প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই এক ঢিলে দুই পাখি মারতে মহারাষ্ট্র গেলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মহারাষ্ট্রের উড়ান ধরার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, উদ্ধব ঠাকরে অসুস্থ। তাই ওঁর সঙ্গে দেখা হবে না। তবে ওঁর ছেলে আদিত্য দেখা করতে আসবেন। এছাড়া এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলনে কাজ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিকেলে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করব। বিশ্ববাণিজ্য সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানাব। সিদ্ধি বিনায়ক মন্দিরেও যাব।
একুশের বিধানসভার নির্বাচনে ব্যাপক ভোটে জয় পায় তৃণমূল। পায়ের নীচের মাটি শক্ত হতেই গোটা দেশে তৃণমূলের সংগঠন ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন জোড়াফুল শিবিরের নেতারা। সেই মতো উত্তর পূর্বের ত্রিপুরা পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী দেন তাঁরা। আর মেঘালয়ে তো কংগ্রেস ভেঙে ১২ জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। অসমের প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সন্তোষমোহন দেবের কন্যা কংগ্রেসের সুস্মিতা দেবও যোগ দেন তৃণমূলে।
{link}
উত্তর পূর্বের এই রাজ্যগুলির পাশাপাশি আরব সাগরের তীরের ছোট্ট রাজ্য গোয়ায়ও পক্ষ্ম বিস্তার করে তৃণমূল। সেখানে দু বারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো হাতে তুলে নেন ঘাসফুল আঁকা ঝান্ডা। উত্তর প্রদেশের কংগ্রেসের দুই নেতাও কিছুদিন আগে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। বিহারের পবন বর্মা এবং হরিয়ানার এক কংগ্রেস নেতাও তৃণমূলে যোগ দেন।
এবার মহারাষ্ট্রে গেলেন মমতা। সেখানে পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করার কথা তাঁর। দেখার আদিত্যের সঙ্গেও। পাওয়ারকে ঘিরেই বিরোধী ঐক্য দানা বাঁধে কিনা, এখন তাই দেখার। সবমিলিয়ে দলকে কেন্দ্রীয় স্তরে পরিচিতি ও ক্ষমতা প্রদান করার লক্ষ্যে কোমর কষেই পরিকল্পনা অনুযাই ময়দানে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
