কেন্দ্রে শক্তি বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ফের দিল্লি সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্র খবর, চলতি মাসের ২২ তারিখে রাজধানী রওনা দিচ্ছেন তিনি। ২৫শে নভেম্বর পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন। এই দফার দিল্লি সফরে তিনি ফের একবার বিজেপি বিরোধী ঐক্যে শান দেবেন বলে ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
কিছু দিন আগেই একবার দিল্লি গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সে যাত্রায় আঞ্চলিক বিভিন্ন ১০টি দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। আলাদা করে বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধি বঢরার সঙ্গে। সেখান থেকেই ফোনে কথা বলেন কংগ্রেস হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধির সঙ্গে। তার পরেই জল্পনা ছড়ায় কংগ্রেসের নেতৃত্বে জোট বাঁধছেন বিরোধীরা। পরে অবশ্য মমতার নেতৃত্বেই জোটের দাবি করতে থাকেন তৃণমূল নেতারা। তার পর থেকে এ পর্যন্ত কংগ্রেস-তৃণমূলের গাঁটছড়া বাঁধা হয়নি।
{link}
বিরোধীদের নিয়ে মমতার ওই বৈঠকে যোগ দেননি আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পরে অবশ্য মমতার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বিরোধী ঐক্যে শান দেওয়ার পাশাপাশি এই দফায়ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন মমতা। সোমবারই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এর পর মুখ্যমন্ত্রী দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। প্রত্যাশিতভাবেই রাজ্যের বকেয়া নিয়ে আলোচনা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা সহ তিন রাজ্যে বিএসএফের কাজের ক্ষমতার পরিসর বৃদ্ধি নিয়েও আলোচনা হতে পারে।
{link}
২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিজেপি বিরোধী শক্তিগুলোকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন মমতা। উদ্দেশ্য সফল হয় কিনা, সেটাই দেখার। যদিও গোয়া ও ত্রিপুরায় কংগ্রেসের গড় ভাঙায় এখন ঘাসফুল শিবিরের উপর কিছুটা হলেও চটে আছে জাতীয় কংগ্রেস। এখন সেই তিক্ততা মিটিয়ে আদৌ জোট সম্ভবপর হবে কি? প্রশ্ন কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক মহলে।
